Ashwini Vaishnaw: কয়েক বছরের মধ্যেই ১০০ বিলিয়ন ডলার FDI, ভারতের বড় টার্গেটের কথা জানালেন অশ্বিনী বৈষ্ণব
Ashwini Vaishnaw: বাদসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, 'আগামী গোটা এক দশক ধরে টানা ৬-৮ শতাংশ হারে বৃদ্ধির পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে। আর এটা পুরোটাই হচ্ছে একটি সুস্পষ্ট ও সুচিন্তিত স্ট্র্যাটেজির মাধ্যমে।' কী এই স্ট্র্যাটেজি? অশ্বিনী বৈষ্ণবের কথায় এই স্ট্র্যাটেজি মূলত চারটি ইঞ্জিনের উপর ভিত্তি করে বানানো হয়েছে।

ডাভোস: বিদেশি লগ্নি টানার দিকে আরও জোর দিচ্ছে দিল্লি। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বার্ষিক ১০০ বিলিয়ন ডলারের এফডিআই টানার টার্গেট নিয়েছে ভারত। ভারতীয় মুদ্রায় হিসেব করলে অঙ্কটা দাঁড়ায় ৮ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকার এফডিআই। ডাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের এক আলোচনাচক্রে গিয়ে এ কথা জানালেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ‘আগামী গোটা এক দশক ধরে টানা ৬-৮ শতাংশ হারে বৃদ্ধির পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে। আর এটা পুরোটাই হচ্ছে একটি সুস্পষ্ট ও সুচিন্তিত স্ট্র্যাটেজির মাধ্যমে।’ কী এই স্ট্র্যাটেজি? অশ্বিনী বৈষ্ণবের কথায় এই স্ট্র্যাটেজি মূলত চারটি ইঞ্জিনের উপর ভিত্তি করে বানানো হয়েছে।
এই চারটি ইঞ্জিন হল প্রথমত, পরিকাঠামোগত ক্ষেত্রে বিনিয়োগ, দ্বিতীয়ত দেশের বিশাল জনসংখ্যার মধ্যে যাঁরা নীচে রয়ে গিয়েছে, তাঁদের মানোন্নয়ন করা, তৃতীয়ত ম্যানুফ্যাকচারিং ক্ষেত্রে আরও গতি আনা এবং চতুর্থত, ব্যবসায়িক ক্ষেত্রকে আরও সহজ-সরল করা। বিশেষ করে ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী মোদী ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভারতের উপর বাজি ধরতে শুরু করেছে। যেমন অ্যাপেল, স্যামসুং, কিয়া, এয়ারবাসের মতো নামী বিদেশি সংস্থাগুলি ভারতে কাজে উৎসাহ পেয়েছে।
চলতি অর্থবর্ষের (২০২৩-২৪) প্রথমার্ধেই প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ২ লাখ ৭৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি) এফডিআই ঢুকেছে ভারতে। এর আগে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ৭১ বিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৫ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা) এফডিআই এসেছিল ভারতে। সেই জায়গায় চলতি অর্থবর্ষে ভারত প্রায় ৭.৩ শতাংশ হারে আর্থিক বৃদ্ধির আশায় রয়েছে।
