USA Attack on Iran: ‘সাপের মুণ্ডচ্ছেদ…’, ৪৭ বছর পর প্রতিশোধ আমেরিকার! ভেঙে পড়ল ইসলামিক বাহিনীর ভবন

USA Decimated IRGC Headquarter: এদিন নিজেদের সমাজমাধ্য়মে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড (US Central Command) বা সেন্টকম লিখেছে, "গত ৪৭ বছর ধরে সহস্র মার্কিন নাগরিকের হত্যার জন্য দায়ী ইরানের ইসলামিক রিভলিউশোনারি গার্ড কর্পস। গতকাল একটি বৃহৎ পরিসরে হামলা চালিয়ে মার্কিন সেনা সেই সাপের মুণ্ডচ্ছেদ করেছে।"

USA Attack on Iran: সাপের মুণ্ডচ্ছেদ..., ৪৭ বছর পর প্রতিশোধ আমেরিকার! ভেঙে পড়ল ইসলামিক বাহিনীর ভবন
প্রতীকী ছবি Image Credit source: নিজস্ব চিত্র

|

Mar 02, 2026 | 10:06 AM

তেহরান: ইরানের ইসলামিক রিভলিউশোনারি গার্ডসের দফতর পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। মার্কিন হামলায় ভেঙে পড়েছে গোটা ইমারত। সোমবার সেই হামলার দায় স্বীকার করেছে মার্কিন সেনা। গত শনিবার থেকে দফায় দফায় ইরানে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেনা। তাতে সঙ্গী হয়েছে ইজরায়েলও। ইতিমধ্যে দুই দেশে যৌথ হামলায় প্রাণ গিয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা খামেনেইয়েই। প্রাণ গিয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও রিভলিউশোনারি গার্ডসের প্র্রধানেরও। এই আবহে হামলার তীব্রতা আরও বাড়াল আমেরিকা।

এদিন নিজেদের সমাজমাধ্য়মে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড (US Central Command) বা সেন্টকম লিখেছে, “গত ৪৭ বছর ধরে সহস্র মার্কিন নাগরিকের হত্যার জন্য দায়ী ইরানের ইসলামিক রিভলিউশোনারি গার্ড কর্পস। গতকাল একটি বৃহৎ পরিসরে হামলা চালিয়ে মার্কিন সেনা সেই সাপের মুণ্ডচ্ছেদ করেছে।”

ইতিমধ্যে স্য়াটালিট চিত্রে রিভলিউশোনারি গার্ডসের সদর দফতরে ভয়াবহ পরিণতির ছবি ধরা পড়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, হামলার সময় একেবারে ধোঁয়ায় ঢেকে যায় সেই সদর দফতর। ভেঙে পড়ে মুহূর্তের মধ্যে। বলে রাখা প্রয়োজন, ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামিক বিপ্লবের মধ্যে দিয়ে IRGC বাহিনীর সূচনা। দেশের ইসলামিক ভাবনার ও আচার-আচরণের উপর নজরদারি চালাত এই বাহিনী। সহজ কথায় নীতি পুলিশ। যার দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পায় খামেনেইয়ের জমানায়, এমনটাই অভিযোগ। কয়েক মাস আগে এই বাহিনীর বিরুদ্ধেও প্রতিবাদে সরব হতে দেখা যায় ইরানের যুব প্রজন্মকে।

উল্লেখ্য, ইরান-আমেরিকার মৌখিক দ্বৈরথ শুরু হয়েছিল ইরানের অভ্যন্তরে চলা খামেনেই-বিরোধী প্রতিবাদ ঘিরে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা দ্বারা প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, সেই সময়কালে আন্দোলন রুখতে ৩ হাজারের অধিক বিক্ষোভকারীকে হত্যা করেছিল ইরানের সেনা। ট্রাম্প তখন বলেছিলেন, শেষ দেখে ছাড়বেন। এরপরেই গত শনিবার ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেনা সূত্রে খবর, অভিযান শুরুর পর থেকে এখনও পর্যন্ত বি-২ বিমান দিয়ে ইরানের এক হাজারের বেশি জায়গায় হামলা চালিয়েছে আমেরিকা।