Ashwini Vaishnaw: ‘গোটা বিশ্ব ভারতকে ভরসা করে, বিশ্বাসই মূলধন’, সেমি-কন্ডাকটর ইস্যুতে বললেন অশ্বিনী বৈষ্ণব
Semi Conductor Chip: ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এদিন সঞ্চালককে বলেন, 'যদি আপনি ভারতের বিদেশ নীতি বা আর্থিক নীতির দিকে দেখেন... তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন গোটা বিশ্ব ভারতের উপর কতটা ভরসা ও বিশ্বাস করে। এই বিশ্বাসটাই হল সবথেকে বড় মূলধন। বিশ্বাসই গোটা বিশ্বকে এক সুরে নিয়ে আসে।'

ডাভোস: সেমিকন্ডাকটর চিপ ইস্যুতে পশ্চিমদের দেশগুলি কার্যত একপ্রকার অলিখিত যুদ্ধ ঘোষণা করে দিয়েছে চিনের সঙ্গে। চিপ-সংঘাত নিয়ে তোলপাড় হচ্ছে আন্তর্জাতিক মঞ্চ। সেই জায়গায় ভারত ভৌগোলিকভাবে মাঝখানে অবস্থান করছে। যখন বিশ্বব্যাপী এমন এক পরিস্থিতি, তখন পশ্চিম বনাম চিনের এই দ্বন্দ্বে, ভারতের অবস্থান ঠিক কেমন? ড্যাভোসে ওয়ার্ড ইকোনমিক ফোরামের এক আলোচনাচক্রে এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে প্রশ্ন করেছিলেন সঞ্চালক। মন্ত্রীও স্পষ্ট ভাষায় ভারতের অবস্থান বুঝিয়ে দিলেন। গোটা বিশ্ব আজকের দিনে কীভাবে ভারতের উপর ভরসা রাখছে, সে কথাও এদিন বলেন তিনি।
ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এদিন সঞ্চালককে বলেন, ‘যদি আপনি ভারতের বিদেশ নীতি বা আর্থিক নীতির দিকে দেখেন… তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন গোটা বিশ্ব ভারতের উপর কতটা ভরসা ও বিশ্বাস করে। এই বিশ্বাসটাই হল সবথেকে বড় মূলধন। বিশ্বাসই গোটা বিশ্বকে এক সুরে নিয়ে আসে। উদাহরণ স্বরূপ আপনি দেখতে পারেন, আমাদের সঙ্গে আমেরিকা, ইউরোপ, জাপানে মৌ চুক্তি হয়েছে সেমি কন্ডাকটর নিয়ে। দক্ষিণ কোরিয়া সরকার ও সেখানকার বেশ কিছু সংস্থার সঙ্গেও আমরা যৌথভাবে কাজ করছি। প্রায় সমস্ত সংস্থাই কোনও না কোনওভাবে ভারতের সঙ্গে কাজ করতে চায়।’
তবে বিভিন্ন মহলে যে ‘চিপ-যুদ্ধের’ তত্ত্ব তুলে ধরা হচ্ছে, সেই বিষয়টির সঙ্গে একমত নন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এখানে কোনও যুদ্ধ নেই, প্রত্যেকের জন্যই পর্যাপ্ত জায়গা আছে। বললেন, “আমরা এটাকে কোনও যুদ্ধ বলে মনে করি না। আমরা মনে করি, প্রত্যেকের জন্যই পর্যাপ্ত জায়গায় রয়েছে। যেটা বিষয়, তা হল আমরা কতটা গুরুত্ব দিয়ে সেটা দেখছি। আমরা নিজেদের লক্ষ্যে কতটা স্থির এবং কতটা প্রতিভা আমরা এর জন্য ব্যবহার করছি, সেটা গুরুত্বপূর্ণ।”
সেমি কন্ডাকটর ক্ষেত্রে যে গোটা বিশ্বজুড়ে বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে, সে কথাও উঠে আসে মন্ত্রীর গলায়। তাঁর মতে, ‘সেমি কন্ডাকটর ক্ষেত্র বিভিন্নভাবে এগিয়ে চলছে। আজ থেকে দশ বছর পর কী হতে চলেছে, তা এখন থেকেই বলা খুব মুশকিল। এই ক্ষেত্রটি বর্তমানে ভীষণ জটিল এবং ভীষণ দ্রুত বদলাচ্ছে। তাই আগামী ১০ বছরে কী হবে, তা এখনই বলে দেওয়া কারও পক্ষে খুব মুশকিল।’
