AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

থুথুকুডি আজকের বাতাসের গুণমান - Thoothukudi Air Quality Index (AQI) Today

Thoothukudi
62 Aqi range: 51-100
Good
050
Moderate
100
Poor
150
Unhealthy
200
Severe
300
Hazardous
500+
Air Quality Is
Moderate
PM 2.5 15
PM 10 20
Last Updated: 23 October 2026 | 02:45 PM
Moderate

Thoothukudi বাসিন্দাদের জন্য স্বাস্থ্য পরামর্শ

Moderate(51-100)
0.7
প্রতিদিন যত সিগারেট খায়
5
সপ্তাহে কয়টি সিগারেট খাও?
249
ওটা এক বছরের সিগারেটের সমান।
এই জায়গার বাতাসে শ্বাস নেওয়া দিনে 0.7টি সিগারেট খাওয়ার সমান ক্ষতিকর.

দাবিত্যাগ: সিগারেটের সমতুল্য অনুমানগুলি গত ২৪ ঘন্টার গড় PM 2.5 স্তরের উপর ভিত্তি করে এবং এই সময়কালে ক্রমাগত এক্সপোজার ধরে নেওয়া হয়।

প্রধান বায়ু দূষণকারী পদার্থ

Particulate Matter (PM2.5)
15µg/m³
Particulate Matter (PM10)
20µg/m³
Carbon Monoxide (CO)
2319ppb
Sulfur Dioxide (SO2)
2ppb
Nitrogen Dioxide (NO2)
29ppb
Ozone (O3)
4ppb

আশেপাশের সবচেয়ে দূষিত স্থানগুলি

RANK CITY AQI
1चेन्नई90
2कोंजीवेरम84
3इरोड80
4पीराकांकरनै79
5सेवन पेगोडाज74
6सलेम74
7डिंडीगुल70
8करूर69
9ऊटी66
10राजपलायम65

প্রতি ঘণ্টায় AQI ডেটা (গত ২৪ ঘন্টা)

Loading...

-- Min.
-- Max.
AQI
-- Time --

সবচেয়ে দূষিত শহর

ব়্যাঙ্ক শহর AQI
1Daman228
2Kapurthala225
3Meerut199
4Amritsar198
5Khem Karan194
6Chipyana Khurd Urf Tigri193
7Hapur192
8Jalandhar192
9Barnala192
10Samalkha192

সবচেেয়ে কম দূষিত শহর

ব়্যাঙ্ক শহর AQI
1Nilgiris40
2Hosur44
3Mangalore45
4Bellary48
5Kolar51
6Tanjore53
7Gadag-Betageri53
8Haveri53
9Kadiri54
10Madanapalle54

বায়ুর গুণমান সূচক স্কেল

  • 0-50 AQI
    good
  • 51-100 AQI
    Moderate
  • 101-150 AQI
    Poor
  • 151-200 AQI
    Unhealthy
  • 201-300 AQI
    severe
  • 301-500+ AQI
    Hazardous

FAQ’S

আজ Thoothukudi এর AQI কত?

Friday 23 October তারিখে, Thoothukudi-এ AQI 62-এ পৌঁছেছে। যা (Moderate) বায়ুর গুণমানের অবস্থা বোঝায়। যার প্রধান কারণ PM2.5 এবং PM10-এর মতো দূষণকারী পদার্থের বৃদ্ধির পাওয়া।

গতকাল Thoothukudi AQI কত ছিল?

গতকাল Thursday 22 October Thoothukudi AQI 93 পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল। যা (Moderate) বায়ুর গুণমানের অবস্থা বোঝায়।

খারাপ আবহাওয়া কীভাবে স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে?

দূষিত বায়ু স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে যখন বাতাসে PM2.5, PM10, সালফার ডাই অক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড এবং ওজোনের মতো ক্ষতিকারক কণা থাকে।

শ্বাসনালীতে প্রভাব ফেলতে পারে। যার ফলে ফুসফুসে জ্বালা, কাশি এবং শ্বাস নিতে অসুবিধা হতে পারে। হাঁপানি এবং ব্রঙ্কাইটিসের মতো রোগ বাড়তে পারে। দূষণের দীর্ঘমেয়াদী সংস্পর্শে থাকলে ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি) হতে পারে। ক্ষতিকারক কণা রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করতে পারে। যা হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ রক্তচাপ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

দীর্ঘসময় দূষণের সংস্পর্শে থাকলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। যার ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। দূষণে উপস্থিত বিষাক্ত বায়ুকণা মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। যার ফলে মাথাব্যথা, বিরক্তি এবং বিষণ্ণতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

দূষিত বায়ুকণা গর্ভবতী মহিলাদের গর্ভস্থ সন্তানের বিকাশের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। শিশুদের ফুসফুসের বিকাশের গতি কম হতে পারে এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়তে পারে। দূষিত বাতাস ত্বকের জ্বালা, চুলকানি এবং অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। দূষিত বায়ুর ফলে চোখ জ্বালা করা, চোখে লালচে ভাব এবং চোখ দিয়ে জল পড়া সাধারণ সমস্যা।

দীর্ঘসময় দূষিত বায়ুর সংস্পর্শে থাকলে ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। দূষিত বায়ু স্বাস্থ্যের উপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে। যা জীবনযাত্রার মান এবং আয়ু হ্রাস করতে পারে। দূষিত বায়ুর প্রভাব থেকে নিজেকে রক্ষা করতে মাস্ক পরা, ঘরের ভেতরে বায়ু পরিশোধক ব্যবহার করা এবং দূষণ এড়াতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

বায়ু দূষিত থাকলে কী করা উচিত?

দূষণের মাত্রা সর্বোচ্চ থাকলে (বিশেষ করে ভোরে এবং সন্ধ্যার শেষভাগে) বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজনে বাইরে যেতে হলে N95 বা P100 এর মতো উন্নতমানের মাস্ক পরুন।

বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা বাড়িতে ব্যায়াম করুন এবং বাইরের কাজকর্ম এড়িয়ে চলুন। দূষিত বাতাস যাতে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য জানালা-দরজা বন্ধ রাখুন। আপনার বাড়ি এবং অফিসে, বিশেষ করে ঘুমানোর জায়গা এবং কর্মক্ষেত্রে বায়ু পরিশোধক ব্যবহার করুন। এয়ার পিউরিফায়ার কেনার সময়, HEPA ফিল্টারযুক্ত ডিভাইসটিকে অগ্রাধিকার দিন। যদি আপনার শ্বাস নিতে সমস্যা হয়, কাশি হয় বা বুকে ব্যথা হয়, তাহলে অবিলম্বে একজন চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। বেশি করে জল পান করুন এবং খাদ্যতালিকায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল এবং শাকসবজি বেশি করে রাখুন। যেমন পেয়ারা, কমলালেবু এবং পালং শাক।

বাতাসের গুণমান সূচক (AQI) পরীক্ষা করার জন্য অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন। এবং সেই অনুযায়ী আপনার দৈনন্দিন রুটিন পরিকল্পনা করুন। ঘরের ধুলোবালি এবং দূষণ কমাতে নিয়মিত আপনার ঘর পরিষ্কার করুন। স্নেক প্ল্যান্ট এবং পিস লিলির মতো গাছপালা ঘরের ভিতরে লাগান। এগুলি বাতাসকে বিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে। গাড়ি শেয়ার করে যাতায়াত করুন। গণপরিবহণ ব্যবহার করুন। অথবা বৈদ্যুতিক যানবাহনে যাতায়াতের চেষ্টা করুন। বাইরে থেকে বাড়ি ফেরার পর আপনার মুখ, হাত এবং নাক ভাল করে ধুয়ে নিন। নিয়মিত মাস্ক এবং পোশাক পরিষ্কার করুন।

PM2.5 এবং PM10 এর মধ্যে কী পার্থক্য?

PM2.5 এবং PM10 হল বাতাসে উপস্থিত কণা, যা দূষণের প্রধান উপাদান। দুটি কণার প্রধান পার্থক্যগুলি মূলত আকার, উৎস এবং স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব। PM10 কণার ব্যাস ১০ মাইক্রন বা তার কম। যেখানে PM2.5 এর ব্যাস 2.5 মাইক্রন বা তার কম। অর্থাৎ PM2.5 কণা PM10 এর চেয়ে সূক্ষ্ম এবং বিপজ্জনক।

PM10 কণার উৎস হল রাস্তার ধুলো, নির্মাণ কাজ। যেখানে PM2.5 কণা উৎপন্ন হয় যানবাহনের ধোঁয়া, খড় পোড়ানো এবং শিল্পকারখানা থেকে নির্গত ধোঁয়া থেকে। আর স্বাস্থ্যে প্রভাবের দিক থেকে PM10 নাক এবং গলাকে প্রভাবিত করে। যেখানে PM2.5 ফুসফুস এবং রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করে, যা হৃদরোগ এবং ফুসফুসের সমস্যার মতো গুরুতর অসুস্থতার কারণ হয়।

PM2.5 বাতাসে দীর্ঘ সময় ধরে থাকে এবং ধোঁয়াশা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যার ফলে স্বাস্থ্যের উপর আরও বেশি প্রভাব পড়ে।