ATM Cash Crunch: টাকা তুলতে গিয়ে খালি হাতে ফিরতে হবে? ATM-এ নগদের জোগান নিয়ে বড় আপডেট
ATM Withdrawal News: বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ক্যাটমি (CATMi)-র তথ্য অনুযায়ী, মার্চ ও এপ্রিল মাসে এটিএমে টাকা ভরার জন্য প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু মার্চ মাসে মাত্র ৬১ হাজার কোটি টাকা এবং এপ্রিল মাসে ৫৪ হাজার কোটি টাকা ছিল।

নয়া দিল্লি: হাতে নগদ টাকা আছে তো? এরপরে এটিএমে (ATM) টাকা তুলতে গেলে কিন্তু খালি হাতে ফিরতে হতে পারে। দেশজুড়ে নগদ টাকার ঘাটতির (ATM Cash Crunch) কারণে এটিএম পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে। এটিএম শিল্পের সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থা, ক্যাটমি (CATMi) ইতিমধ্যেই ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন (IBA)-কে চিঠি লিখে জানিয়েছে যে, অনেক রাজ্যের এটিএম-গুলিতে পর্যাপ্ত নগদ টাকা আসছে না। এর ফলে বিশেষ করে গ্রামীণ এবং আধা-শহুরে বা শহরতলির এলাকার মানুষ বিপদে পড়তে পারেন, যেখানে বিপুল সংখ্যক মানুষ নগদ লেনদেনের উপরই নির্ভরশীল।
এটিএম রিফিল করার জন্য যথেষ্ট টাকা নেই-
বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ক্যাটমি (CATMi)-র তথ্য অনুযায়ী, মার্চ ও এপ্রিল মাসে এটিএমে টাকা ভরার জন্য প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু মার্চ মাসে মাত্র ৬১ হাজার কোটি টাকা এবং এপ্রিল মাসে ৫৪ হাজার কোটি টাকা ছিল। এর অর্থ, পরপর দুই মাসে প্রয়োজনীয় নগদ টাকার যথাক্রমে মাত্র ৬৪ শতাংশ এবং ৫৭ শতাংশ পাওয়া গিয়েছিল। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI)-কেও এই পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো হয়েছে।
এটিএম চালানোর খরচ বাড়ছে ক্রমে-
এটিএম পরিচালনাকারীরা বলছেন, বর্তমান ইন্টারচেঞ্জ ফি দিয়ে তাদের খরচ মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। ইন্টারচেঞ্জ ফি হল সেই টাকা যা একটি ব্যাঙ্ক অন্য ব্যাঙ্কের এটিএম ব্যবহারের জন্য দেয়। বর্তমানে এর চার্জ হল ১৯ টাকা। জ্বালানির ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধি, বেতন বৃদ্ধি এবং নগদ টাকা পরিবহনের খরচের কারণে এটিএম পরিচালনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে।
এটিএম লেনদেনে পতন-
আরবিআই-এর মে মাসের বুলেটিন অনুযায়ী, গত এক বছরে এটিএম লেনদেন ১০.৪ শতাংশ কমেছে। এপ্রিলে এটিএম লেনদেনের সংখ্যা আগের বছরের ৪৯৮.৪ মিলিয়ন থেকে কমে ৪৪৬.৫ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনের মোট পরিমাণও প্রায় ২.৬৪ লক্ষ কোটি টাকা থেকে কমে ২.৫ লক্ষ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। ডিজিটাল লেনদেনের জন্য মানুষ নগদ টাকা কম তুলছেন।
রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে দেশে নগদের জোগান থাকলেও তা এটিএমে পৌঁছচ্ছে না। ২২ মে-র তথ্য অনুযায়ী, ব্যাঙ্ক নোটের সার্কুলেশন ছিল ৪২.৫৪ লাখ কোটি, যা গত বছরের তুলনায় ১২ শতাংশ বেশি। এরপরও এটিএম ইন্ডাস্ট্রি জানাচ্ছে যে পর্যাপ্ত নগদ এটিএমে পৌঁছচ্ছে না। দেশে ২ লক্ষ ৫১ হাজারেরও বেশি এটিএম রয়েছে, যেখান থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ টাকা তোলেন।
