AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bangladesh Garment Export: ভারতের ‘বিগ এন্ট্রি’র আগেই হোঁচট খাচ্ছে বাংলাদেশ! কমছে আয়

India-Bangladesh: চলতি বছরের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ইউরোপের ২৭টি দেশের বাংলাদেশের রফতানি পড়েছে ৩.৯৮ শতাংশ। আর এই আচমকা পতনের নেপথ্যে ভারত ও চিনকেই দায়ী করছে ঢাকার ব্য়বসায়ীরা। আর শুধুই ইউরোপ নয়, আমেরিকার আকাশেও গত সাতমাসে বাংলাদেশি পণ্য ঘিরে তৈরি হয়েছে উদ্বেগের মেঘ। চড়া শুল্কের কারণে কমেছে ঢাকার আয়।

Bangladesh Garment Export: ভারতের 'বিগ এন্ট্রি'র আগেই হোঁচট খাচ্ছে বাংলাদেশ! কমছে আয়
প্রতীকী ছবিImage Credit: Getty Image
| Updated on: Feb 14, 2026 | 9:39 PM
Share

ঢাকা: ইউরোপের বাজারে হোঁচট খাচ্ছে বাংলাদেশ। পড়ছে তাদের বস্ত্র পণ্যের চাহিদা। গত সাত মাসে ৪ শতাংশ পড়েছে বিক্রি। কিন্তু আচমকা এই পতনের কারণ কী? যে পণ্যের খাতিরে গোটা পশ্চিমী দুনিয়া নির্ভর করে থাকে বাংলাদেশের উপর। সেই পণ্যই বিক্রি করতে গিয়ে কেন হোঁচট খাচ্ছে তারা?

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতবছরের জুলাই মাস থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ইউরোপের ২৭টি দেশের বাংলাদেশের রফতানি পড়েছে ৩.৯৮ শতাংশ। আর এই আচমকা পতনের নেপথ্যে ভারত ও চিনকেই দায়ী করছে ঢাকার ব্য়বসায়ীরা। আর শুধুই ইউরোপ নয়, আমেরিকার আকাশেও গত সাতমাসে বাংলাদেশি পণ্য ঘিরে তৈরি হয়েছে উদ্বেগের মেঘ। চড়া শুল্কের কারণে কমেছে ঢাকার আয়।

একটি পরিসংখ্য়ান অনুযায়ী, গতবছরের জানুয়ারি মাস থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্গত ২৭টি দেশে বস্ত্র বা বস্ত্রপণ্যে আমদানি বেড়েছে ৭ শতাংশ। সুতরাং, সেই নিরিখে বিক্রি বাড়ার কথা বাংলাদেশেরও। কিন্তু তা হয়নি। বরং, ইউরোপের বাজারে বস্ত্রপণ্য়ে ৪ শতাংশ অংশীদারিত্ব কমেছে ঢাকার। সেই শূন্যস্থান পূরণ করেছে চিন ও ভারত।

ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন, এটা সবে সূচনা। অস্তিত্বের লড়াইয়ে আগামী দিনে আরও হোঁচট খেতে হবে বাংলাদেশি ব্য়বসায়ীদের। কারণ একটাই তা হল, ‘সব চুক্তির জননী’ অর্থাৎ ভারত-ইউরোপ মুক্ত-বাণিজ্য় চুক্তি। প্রজাতন্ত্র দিবসের সময়ই এই চুক্তি ঘোষণা করে দিয়েছে উভয় পক্ষ। নয়াদিল্লি সূত্রে খবর, বছর শেষে চূড়ান্ত হয়ে যাবে চুক্তির আইনি দিকগুলি। পাকাপাকি ভাবে তা কার্যকর হবে ২০২৭ সালে। এই পরিস্থিতি আরও বিপদ বাড়বে বাংলাদেশের। কারণ ইউরোপের বাজারে ভারতীয় পণ্য় হয়ে যাবে শুল্কমুক্ত।