Men’s Underwear Index: জাঙ্গিয়াই বলে দেবে দেশের অর্থনীতির অবস্থা, জানেন কীভাবে?

5 Unconventional economic index: কোনও দেশের অর্থনীতি কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, তা সাধারণত মাপা হয় 'গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট' বা 'জিডিপি' দিয়ে। কখনও কখনও বেকারত্বের হারের ভিত্তিতেও মাপা হয় অর্থনীতিকে। তবে, অর্থনীতিবিদ এবং বিশ্লেষকরা দীর্ঘদিন ধরেই এই সকল প্রচলিত মানদন্ডের বাইরে আরও কিছু অদ্ভূত অর্থনৈতিক সূচক ব্যবহার করে থাকেন।

Jul 01, 2024 | 3:32 PM

1 / 8
কোনও দেশের অর্থনীতি কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, তা সাধারণত মাপা হয় 'গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট' বা 'জিডিপি' দিয়ে। কখনও কখনও বেকারত্বের হারের ভিত্তিতেও মাপা হয় অর্থনীতিকে। তবে, অর্থনীতিবিদ এবং বিশ্লেষকরা দীর্ঘদিন ধরেই এই সকল প্রচলিত মানদন্ডের বাইরে আরও কিছু অদ্ভূত অর্থনৈতিক সূচক ব্যবহার করে থাকেন। যেগুলিও অর্থনীতি এবং সমাজের অবস্থাটা তুলে ধরে বলে মনে করা হয়। ২০২৪ সালের বাজেটের আগে, দেখে নেওয়া যাক এই রকমই কয়েকটি অদ্ভুত অর্থনৈতিক সূচক।

কোনও দেশের অর্থনীতি কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, তা সাধারণত মাপা হয় 'গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট' বা 'জিডিপি' দিয়ে। কখনও কখনও বেকারত্বের হারের ভিত্তিতেও মাপা হয় অর্থনীতিকে। তবে, অর্থনীতিবিদ এবং বিশ্লেষকরা দীর্ঘদিন ধরেই এই সকল প্রচলিত মানদন্ডের বাইরে আরও কিছু অদ্ভূত অর্থনৈতিক সূচক ব্যবহার করে থাকেন। যেগুলিও অর্থনীতি এবং সমাজের অবস্থাটা তুলে ধরে বলে মনে করা হয়। ২০২৪ সালের বাজেটের আগে, দেখে নেওয়া যাক এই রকমই কয়েকটি অদ্ভুত অর্থনৈতিক সূচক।

2 / 8

বিগ ম্যাক সূচক: ১৯৮৬ সালে এই সূচক তৈরি করেছিল 'দ্য ইকোনমিস্ট' ম্যাগাজিন। ক্রমে ক্রয় ক্ষমতা সমতার একটি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত পরিমাপ হয়ে উঠেছে এই সূচক। 'ওয়ান প্রাইস'-এর নিয়ম মেনে এই সূচক তৈরি করা হয়েছে। ওয়ান প্রাইস ল-তে বল হয়, স্থান নির্বিশেষে একটি অভিন্ন সম্পদ বা পণ্যের মূল্য বিশ্বব্যাপী একই থাকবে।

3 / 8

মার্কিন খাদ্য প্রস্তুতকারক সংস্থা,ম্যাকডোনাল্ড যে বিগ ম্যাক হ্যামবার্গার তৈরি করে, বিভিন্ন দেশে তার মূল্যের তুলনা করে বিভিন্ন দেশের মুদ্রাগুলির মূল্যায়ন করা হয়। একটি সাধারণ মুদ্রা ব্যবস্থায় রূপান্তরিত করা হলে, কোনও একটি বিশেষ দেশে যদি একটি বিগ ম্যাকের দাম অন্য আরেকটি দেশের তুলনায় বেশি হয়, তবে বুঝতে হবে, প্রথম দেশটির টাকার দাম বেড়েছে। আর উল্টোটা হলে, অর্থাৎ, যদি ওই কোনও দেশে বার্গারটি সস্তা হয়, তাহলে বুঝতে হবে, প্রথম দেশটির টাকার দাম পড়েছে।

4 / 8

পুরুষদের অন্তর্বাস সূচক: শুনে হাসি পেয়ে যেতে পারে, কিন্তু পুরুষদের অন্তর্বাসও উপভোক্তাদের আস্থার এক আকর্ষণীয় পরিমাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সূচকের ভিত্তিটি অত্যন্ত সহজ। কোনও দেশে পুরুষদের অন্তর্বাসের বিক্রি বাড়লে, বুঝতে হবে সেই দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হচ্ছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, কঠিন অর্থনৈতিক সময়ে, উপভোক্তারা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের কেনাকাটাকে অগ্রাধিকার দেয়। অন্তর্বাস সেই তালিকায় আসে না। অর্থনৈতিকভাবে মজবুত অবস্থায় থাকলে, সাধারণ মানুষ অন্তর্বাসের মতো কম প্রয়োজনীয় জিনিসের পিছনে খরচ করে। কাজেই অন্তর্বাসের বিক্রি বৃদ্ধি মন্দা কাটিয়ে অর্থনীতির ট্র্যাকে ফেরাকে সূচিত করে।

5 / 8

স্টারবাকস সূচক: বিভিন্ন শহর এবং দেশের জীবনযাত্রার ব্যয় সম্পর্কে এক অপ্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি দেয় স্টারবাকস সূচক। স্টারবাকস বিখ্য়াত মার্কিন কফি প্রস্তুতকারক সংস্থা। স্টারবাকস সূচকের ভিত্তি হল, যদি একটি নির্দিষ্ট স্থানে একটি লটের (বিশেষ ধরনের কফি) দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, তবে বুঝতে হবে জীবনযাত্রা অতিবাহিত করার খরচ সেই স্থানে অনেক বেশি। ২০০৪ সালে এই সূচক তৈরি করেছিল 'দ্য ইকোনমিস্ট'।

6 / 8

হেমলাইন সূচক: মহিলাদের স্কার্টের দৈর্ঘ্যকে অর্থনৈতিক চক্রের সঙ্গে যুক্ত করে হেমলাইন ইনডেক্স। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, ছোট স্কার্ট অর্থনৈতিক আশাবাদ এবং বৃদ্ধির লক্ষণ। আর লং স্কার্ট অর্থনৈতিক মন্দার ইঙ্গিত দেয়। যুক্তিটা হল, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সময়, মানুষ আরও সাহসী এবং আত্মবিশ্বাসী ফ্যাশনের দিকে ঝোঁকে। যার ফলে হেমলাইন কমতে থাকে। উল্টোদিকে, অর্থনৈতিক মন্দা বা অনিশ্চিত সময়ে, ফ্যাশন প্রবণতায় রক্ষণশীলতা দেখা যায়। স্কার্টের মাপ দীর্ঘ হয়।

7 / 8

লিপস্টিক সূচক: প্রসাধনী ব্র্যান্ড 'এস্টি লডারে'র বোর্ডের চেয়ারম্যান লিওনার্ড লডার এই সূচক তৈরি করেছিলেন। একুশ শতকের শূন্য দশকেই এসেছিল বিশ্বব্যাপী মন্দা। সেই সময় লডার দাবি করেছিলেন, লিপস্টিক বিক্রি এক নয়া অর্থনৈতিক সূচক হতে পারে। প্রসাধনী পণ্য, বিশেষ করে লিপস্টিক কেনার সঙ্গে অর্থনীতির স্বাস্থ্যের ঘনিষ্ঠ যোগ আছে। লিপস্টিক কেনা বাড়লে, বুঝতে হবে অর্থনীতির অবস্থা ভাল নয়। লডারের মতে, অর্থনৈতিক সঙ্কটের সময়, মহিলারা পোশাক বা জুতোর মতো ব্যয়বহুল পণ্য কেনার বদলে, লিপস্টিকের মতো কম ব্যয়বহুল পণ্য কিনে থাকেন।

8 / 8

লিপস্টিকের বদলে মাস্কারা: কোভিড-১৯ মহামারীর সময় গোটা বিশ্বের মানুষ মুখ ঢেকেছিলেন ফেস মাস্কে। সেই সময় অনলাইন রিটেইল জায়ান্ট, আলিবাবা জানিয়েছে, চোখের প্রসাধনীর বিক্রি বেড়েছিল ১৫০ শতাংশ। সেই সময় ভাবনা-চিন্তা শুরু হয়েছিল লিপস্টিক সূচকের বদলে মাস্কারা সূচক চালু করা উচিত কিনা।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us