Petrol-Diesel: আমজনতার ভাগের পেট্রোল-ডিজেল কিনে নিচ্ছে ‘অন্য কেউ’! আরও সঙ্কট তৈরি হবে?
Petrol diesel government warning: অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনের অধীনে জ্বালানির কালোবাজারি, অবৈধ মজুত এবং ব্ল্যাক মার্কেটের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকার আশ্বাস দিয়েছে যে দেশে পেট্রোল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং সমস্ত চাহিদা পূরণ করা হবে।

নয়া দিল্লি: ইরানের যুদ্ধ থামেনি।জ্বালানি সঙ্কটও মেটেনি তাই। বরং ক্রমাগত দাম বাড়ছে পেট্রোল-ডিজেলের (Petrol-Diesel Price Hike)। তার মধ্য়ে আরও সঙ্কট তৈরি করছে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলি। আমজনতার ভাগের পেট্রোল-ডিজেলও তারাই কিনে নিচ্ছে। এই খবর আসতেই সরকারের কড়া পদক্ষেপ।
খুচরো গ্রাহকদের জন্য অর্থাৎ যারা অল্প পরিমাণে পেট্রোল বা ডিজেল কেনেন, তাদের জন্য যাতে পর্যাপ্ত জোগান থাকে, তার জন্য পেট্রোল পাম্প থেকে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলিকে পেট্রোল-ডিজেল কিনতে বারণ করা হয়েছে। এই বিষয় নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে সংস্থাগুলিকে।
সরকারের মতে, শিল্প সংস্থাগুলি যদি পেট্রোল পাম্প থেকে তেল কেনে, তার ফলে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল সংস্থাগুলির উপর আর্থিক বোঝা বাড়ছে এবং সাধারণ মানুষের জন্য জ্বালানির জোগান প্রভাবিত হতে পারে। এই ধরনের ঘটনা ঘটলে, ওই সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই নিয়ে।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল কোম্পানিগুলি পেট্রোল, ডিজেল এবং গৃহস্থালির গ্যাসের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা ক্ষতির মুখে পড়ছে। শিল্প সংস্থাগুলির জন্য জ্বালানির দাম আন্তর্জাতিক বাজারের দরের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়, যার ফলে দামে উল্লেখযোগ্য ফারাক দেখা যায়। বর্তমানে শিল্প সংস্থাগুলি পাইকারি সরবরাহ এড়িয়ে পেট্রোল পাম্প থেকে জ্বালানি কিনছে, যার ফলে তারা কম দামে জ্বালানি কিনছে।
উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, ২৮ মে দিল্লিতে ডিজেলের দাম ছিল প্রতি লিটার ৯৫.২০ টাকা, যেখানে পাইকারি ডিজেল বিক্রি হচ্ছে লিটার প্রতি ১৪৯ টাকায়। অনেক শিল্প সংস্থাই পাইকারি সরবরাহ এড়িয়ে পেট্রোল পাম্প থেকে জ্বালানি কিনছে। সরকারের বক্তব্য, এতে সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ জ্বালানির উপর চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। সাধারণ মানুষের পর্যাপ্ত জ্বালানির ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে কঠোর নজরদারি চালানোর জন্য বিশেষ দল গঠন করতে নির্দেশ দিয়েছে। অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনের অধীনে জ্বালানির কালোবাজারি, অবৈধ মজুত এবং ব্ল্যাক মার্কেটের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকার আশ্বাস দিয়েছে যে দেশে পেট্রোল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং সমস্ত চাহিদা পূরণ করা হবে।
