e

নয়াদিল্লি: মন চায় ব্যবসা খুলতে? ৯টা-৫টা চাকরি জীবনে বিরক্ত হয়ে উঠেছেন? সময়ের অধিক সময় অফিসে থেকেও মেলে না প্রাপ্য সাম্মানিকটুকুও। ভাবছেন প্রাণ বাঁচাতে ব্য়বসা খুলবেন? কিন্তু যদি না চলে? ভয় তো সেই দিক থেকেও রয়েছে। এক্ষেত্রে একটি ব্যবসা কিন্তু আপনার লাভ তোলার পথ প্রশস্ত করতে পারে। কী সেটা?
দিন প্রতিদিনের জীবনে কেউ না কেউ পতঞ্জলির পণ্য ব্যবহার করে থাকেন। কারওর কাছে পতঞ্জলির অ্যালোভেরা, কারওর কাছে পতঞ্জলির মাজন অত্যন্ত পছন্দের। অনলাইন বাজারে নজর রাখলে দেখা যাবে এগুলিই ‘বেস্ট সেলিং’। কিন্তু এই বেস্ট সেলিং পণ্য়গুলিকে আপনি বিক্রি করবেন কীভাবে? রয়েছে উপায়। চাইলেই খুলতে পারবেন নিজস্ব পতঞ্জলির দোকান। কিন্তু কীভাবে?
সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, আপনার নামে অথবা ভাড়া নেওয়া একটি ২০০ থেকে ২ হাজার স্কোয়ার মিটারের দোকান থাকতে হবে। এরপর পতঞ্জলির ওয়েবসাইটে গিয়ে মাত্র ৩০০ টাকা দিয়ে একটি অ্যাপ্লিকেশন জমা দিতে হবে। জমা দিতে হবে আপনার পরিচয় পত্র ও অন্যান্য নথি। সেই আবেদন মঞ্জুর হলে সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসাবে ৫ লক্ষ টাকা জমা দিতে হবে পতঞ্জলির কাছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, পতঞ্জলির দোকানগুলি যে সব একই রকমের এমন ভাবার কোনও কারণ নেই। সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনটি ভিন্ন মডেলে নিজেদের স্টোর খোলার ব্যবস্থা রাখে তাঁরা। এক, গ্রামীণ স্বাস্থ্য কেন্দ্র, পতঞ্জলি মেগা স্টোর এবং কেউ চাইলে পতঞ্জলির হাসপাতালও খুলতে পারবেন। গ্রামীণ স্বাস্থ্য কেন্দ্র খোলার জন্য প্রয়োজন, ২০০ স্কোয়ার ফিটের জায়গা। মেগা স্টোরের জন্য প্রয়োজন ২ হাজার স্কোয়ার ফিটের জায়গা।
৫ লক্ষ টাকা তো সিকিউরিটি ফি, এছাড়া আরও কত টাকা বিনিয়োগ করতে হবে পতঞ্জলির সঙ্গে নিজের ব্যবসা শুরু করতে? সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, একটা ছোট্ট দোকান খুলতে ৫ লক্ষ টাকা যথেষ্ট। কিন্তু কেউ যদি মেগা স্টোর খুলতে চান, সেক্ষেত্রে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ পড়ে যেতে পারে। তবে এই স্টোর খোলার জন্য নেওয়া সিকিউরিটি ডিপোজিট একেবারে ফেরত-যোগ্য।