Income Tax: আপনার অনলাইন শপিংয়ের উপরে নজর রাখছে আয়কর বিভাগ?
PIB Fact Check: আয়কর আইন ২০২৫-র ২৪৭ ধারায় আয়কর বিভাগকে তল্লাশি ও সমীক্ষার অধিকার দেওয়া হয়েছে কিছু ক্ষেত্রে। যদি আয়কর ফাঁকি বা অন্য কোনও তথ্যের গরমিল পাওয়া যায় এবং সরকারিভাবে তল্লাশি শুরু হয়, তাহলে আয়কর বিভাগ প্রয়োজনে কারোর ডিজিটাল স্পেস বা ডিজিটাল মাধ্যমেও নজর রাখতে পারে।

নয়া দিল্লি: হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তি হোক বা লেনদেন, খবর পেলেই বাড়িতে হানা দেবে আয়কর দফতর। তবে আয়কর দফতর এই সম্পত্তির খবর পায় কোথা থেকে? এই প্রশ্ন অনেকের মনেই। সম্প্রতিই একাধিক ইনফ্লুয়েন্সার ভিডিয়োয় দাবি করেছেন যে আয়কর দফতর নাকি আপনার যাবতীয় লেনদেনের উপরে নজর রাখে। অনলাইনে কোন সাইট থেকে কী শপিং করছেন, কোথায় অনলাইনে পেমেন্ট করছেন, তার উপরে নজর রাখছে আইটি ডিপার্টমেন্ট।
ইমেইল থেকে সোশ্যাল মিডিয়া, বিভিন্ন ট্রেডিং অ্যাপ বা প্রাইভেট অ্যাকাউন্টে নাকি নজর রাখছে আয়কর বিভাগ। এই ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় তরফে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো বা পিআইবি জানিয়েছে এই দাবি সম্পূর্ণ ভুয়ো। আয়কর বিভাগ অনলাইন শপিং, ডিজিটাল পেমেন্ট, অ্যাপ ভিত্তিক লেনদেন বা নাগরিকদের অন্য কোনও ধরনের ব্যক্তিগত লেনদেনের উপরে নজরদারি করে না। সোশ্যাল মিডিয়া, ট্রেডিং অ্য়াপ বা ইমেইলে নজর রাখা হয় না।
An Instagram post by ‘bingewealth’ claims that the Income-tax Department (ITD) tracks people’s personal digital activity, online spending, or lifestyle.#PIBFactCheck
❌ This claim is #misleading! Here’s the real picture:
✅ The Income-tax Department does NOT track online… pic.twitter.com/Q42ZMJLic5
— PIB Fact Check (@PIBFactCheck) January 2, 2026
কখন আপনার লেনদেনে নজরদারি করতে পারে আয়কর বিভাগ?
আয়কর আইন ২০২৫-র ২৪৭ ধারায় আয়কর বিভাগকে তল্লাশি ও সমীক্ষার অধিকার দেওয়া হয়েছে কিছু ক্ষেত্রে। যদি আয়কর ফাঁকি বা অন্য কোনও তথ্যের গরমিল পাওয়া যায় এবং সরকারিভাবে তল্লাশি শুরু হয়, তাহলে আয়কর বিভাগ প্রয়োজনে কারোর ডিজিটাল স্পেস বা ডিজিটাল মাধ্যমেও নজর রাখতে পারে।
তবে আয়কর বিভাগ রুটিন তথ্য সংগ্রহ বা স্ক্রুটিনির জন্য এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না আয়কর দফতর। শুধুমাত্র বড় ধরনের আর্থিক তছরুপ বা কালো টাকার সন্ধানে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে আয়কর বিভাগ। আয়কর আইন, ১৯৬১-তেও তল্লাশি অভিযানের সময় প্রয়োজনে তথ্য বাজেয়াপ্ত করতে পারে।
যদি ব্যাঙ্ক, রেজিস্ট্রার বা অন্য কোনও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বড় মাপের লেনদেন নিয়ে আয়কর বিভাগের কাছে রিপোর্ট করে, তবেই আয়কর দফতর হানা দিতে বা তল্লাশি চালাতে পারে।
