
নয়া দিল্লি: চাকরিজীবীদের অর্থসঞ্চয় বলতে ভরসা প্রভিডেন্ট ফান্ড। তবে বিশেষ দরকারে বা প্রয়োজনে অবসর নেওয়ার আগে পিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা যায়। কিন্তু অনেক সময় সামান্য ভুলে পিএফ ক্লেম রিজেক্ট হয়ে যায়। পাওয়া যায় না টাকা। তবে সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখেই বর্তমানে পিএফে টাকা তোলার নিয়ম আরও সরলীকরণ করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই পিএফ থেকে নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত টাকা তোলা যায়। অবসরের আগে, কখন আপনি পিএফের সম্পূর্ণ টাকা তুলে ফেলতে পারবেন, জানেন?
আগে পিএফের টাকা তোলার ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্ত ছিল, নির্দিষ্ট বছর অর্থাৎ কোনও ক্ষেত্রে পাঁচ বছর বা কোনও ক্ষেত্রে সাত বছর চাকরি করলে, তবেই পিএফ থেকে আংশিক টাকা তোলা যেত। এখন সেই নিয়মে বদল করা হয়েছে। বর্তমানে ১২ মাস চাকরি করলেই পিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা যায়।
পিএফের নতুন নিয়মে এখন এমপ্লয়ি ও এমপ্লয়ার- দুজনের খাত থেকেই টাকা তোলা যায়। আগে যেখানে কর্মীরা নিজের কন্ট্রিবিউশন বা অনুদান থেকেই ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ টাকা তুলতে পারতেন শর্ত সাপেক্ষে। এখন পিএফের সুদের যে টাকা পাওয়া যায়, তাও তুলে ফেলা যায়।
ইপিএফও-র তরফে জানানো হয়েছে, বিশেষ ক্ষেত্রে চাকরি জীবনের ১ বছর পূরণ করার পরই পিএফ অ্যাকাউন্টের ১০০ শতাংশ টাকা তুলে ফেলা যাবে। কী কী সেই ক্ষেত্র? ব্যক্তিগত বা পরিবারের কারোর চিকিৎসার জন্য, নিজের বা সন্তানের পড়াশোনার জন্য, বিয়ের খরচ বা বাড়ি কেনা বা নির্মাণের জন্য ১০০ শতাংশ পর্যন্ত টাকা তোলা যাবে। এছাড়া ঋণ পরিশোধের জন্যও পিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা যাবে।
যদি কেউ চাকরি হারান, বেকার হয়ে পড়েন, তাহলে প্রয়োজনে অবিলম্বেই পিএফ অ্যাকাউন্টের ৭৫ শতাংশ টাকা তুলে ফেলতে পারেন। ৫৫ বছর বয়স হয়ে গেলে, শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়লে বা কেউ অবসর নিলে পিএফের সম্পূর্ণ টাকা তুলে ফেলতে পারবেন।