Gig Economy: আপনার সেলিব্রেশনের মাশুল অন্য কাউকে দিতে হচ্ছে না তো?
Zomato-BlinkIt: দীপিন্দর গোয়েলের দাবি, ওই ৩১ ডিসেম্বর ও ১ জানুয়ারির রাতেই ৪ লক্ষ ৫০ হাজার ডেলিভারি পার্টনার ৭৫ লক্ষ অর্ডার ডেলিভারি করেছেন। আর এই অর্ডার দিয়েছিলেন সব মিলিয়ে প্রায় ৬৩ লক্ষ গ্রাহক। তাঁর বক্তব্যে এটা স্পষ্ট, ডেলিভারি পার্টনারদের কোনও ধর্মঘটই কাজে আসেনি।

ঘড়ির কাঁটা যখন ১২টা ছুঁইছুঁই, আপনি হয়তো তখন কেক বা বিরিয়ানির অর্ডারে ব্যস্ত। কিন্তু সব কিছুর আড়ালে তখন এক প্রবল সমস্যা। একদিকে রেকর্ড ভাঙা ব্যবসা যেমন হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনই চলছে প্রতিবাদ। ভারতের গিগ ইকোনমি কি তবে এক অদৃশ্য যুদ্ধের মুখে?
রেকর্ড বনাম প্রতিবাদ
নিউ ইয়ার ইভ-এ যখন জেপটো বা ব্লিঙ্কইট-এর মতো ডেলিভারি অ্যাপে অর্ডারের বন্যা, তখনই বেতন ও নিরাপত্তার দাবিতে সরব হলেন তাদের সঙ্গে যুক্ত ডেলিভারি পার্টনাররা। তাদের অভিযোগ—১০ মিনিটের ডেলিভারি প্রেসার আর অ্যালগরিদমের খাঁচায় বন্দি তাদের জীবন।
যদিও এর পাল্টা তথ্যও রয়েছে। আর সেই তথ্য দিলেন জোম্যাটোর প্রধান দীপিন্দর গোয়েল। তাঁর দাবি, ওই ৩১ ডিসেম্বর ও ১ জানুয়ারির রাতেই ৪ লক্ষ ৫০ হাজার ডেলিভারি পার্টনার ৭৫ লক্ষ অর্ডার ডেলিভারি করেছেন। আর এই অর্ডার দিয়েছিলেন সব মিলিয়ে প্রায় ৬৩ লক্ষ গ্রাহক। তাঁর বক্তব্যে এটা স্পষ্ট, ডেলিভারি পার্টনারদের কোনও ধর্মঘটই কাজে আসেনি।
আসল সমস্যা কোথায়?
গোয়েল বলছেন, সমস্যাটা দরজায় কলিং বেল টিপলে শুরু হয় না। সমস্যাটা দেখা যায় আমাদের মানসিকতায়। আমরা সস্তায় পরিষেবা চাই। কিন্তু যে মানুষটি সেই খাবার আনছে, তার দারিদ্র্য দেখে আমরা অস্বস্তি বোধ করি। তবে শ্রমিক সংগঠনগুলোর প্রশ্ন অন্য। বিমা নেই, নিশ্চিত আয় নেই—শুধুমাত্র ইনসেনটিভের লোভে কতদিন প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে বাইক ছোটাবেন এই যুবকরা?
বৃহত্তর ছবিটা কী?
ভারতে বর্তমানে প্রায় ৮০ লক্ষ গিগ ওয়ার্কার রয়েছেন। সরকারি নিয়ম আসার আগেই ব্যবসার বহর বাড়ছে। আগামী দিনে এই ‘ইনস্ট্যান্ট’ আরামের মাশুল কে দেবে? আপনি কি ভেবে দেখেছেন, আপনার ১০ মিনিটের সুবিধার আড়ালে কত জীবনের ঝুঁকি জড়িয়ে রয়েছে!
