
কিছুদিন আগেই রিটায়ার করেছে ভারতীয় বায়ুসেনার অন্যতম স্তম্ভ মিগ ২১ বাইসন। আর তারপরই একটা প্রশ্ন উঠছে, বায়ুসেনার যে পরিমাণ বিমান প্রয়োজন, সেই পরিমাণ বিমান কি এই মুহূর্তে নেই? এয়ার চিফ মার্শাল এ.পি. সিংয়ের সাম্প্রতিক উদ্বেগ সেই প্রশ্নই উসকে দিয়েছে। বর্তমানে তেজস সরবরাহে দেরি হওয়ায় কিছুটা ব্যাকফুটে বায়ুসেনা। তবে আশার কথা শোনালেন ডিআরডিও প্রধান সমীর ভি কামাত।
আপনি জানলে আশ্বস্ত হবেন যে, তেজস মার্ক-২-এর প্রথম উড়ান আগামী জুনেই হতে চলেছে। এ ছাড়াও সূত্রের খবর, ভারতের নিজস্ব পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ ফাইটার AMCA ২০২৮-এর মধ্যে তৈরি হয়ে যেতে পারে। আর তাহলে এই বিমান ২০২৯-এর শুরুতেই হয়তও আকাশে ডানা মেলবে। এমনই মনে করছে ডিআরডিও।
তথ্য বলছে, তেজসের আকাশে ওড়ার ২৫ বছর পূর্তি হল। ইতিমধ্যেই ৫ হাজার ৬০০ বার আকাশে উড়েছে ভারতের নিজস্ব ফাইটার জেট। বর্তমানে, ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে ৩৮টি তেজস ফাইটার জেট রয়েছে। এর মধ্যে ৩২টি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত বিমান ও ৬টি ট্রেনার জেট। এ ছাড়াও এই মুহূর্তে ভারতের কাছে তেজসের ২টো স্কোয়্যাড্রন রয়েছে।
ভারতীয় বায়ুসেনার পুরাতন যুদ্ধবিমান অবসর নিচ্ছে। কিন্তু নতুন যুদ্ধবিমান সেই এক গতিতে বায়ুসেনায় যোগ হচ্ছে না। বায়ুসেনা প্রধান সাফ জানিয়েছেন, যুদ্ধের প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখা যাবে না। ১০০-র বেশি দেশীয় সংস্থা এই প্রকল্পে যুক্ত। লক্ষ্য একটাই; ২০৪৭-এর মধ্যে আকাশপথে ভারতকে সম্পূর্ণ ‘আত্মনির্ভর’ করে তোলা। ডিআরডিও যদি দেওয়া এই সময়সীমা মেনে কাজ করতে পারে, তাহলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ভারতের আকাশ দুর্ভেদ্য হয়ে উঠবে।