Mukesh Ambani-Antilia: ১৫ হাজার কোটিতে বানানো, অম্বানীর অ্যান্টিলিয়াতে মাসে মাসে কত বিদ্যুতের বিল আসে জানেন?
Antilia: ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে এই বাড়িতে বসবাস করছেন অম্বানী পরিবার। বিশ্বের ধনকুবেরদের তালিকায় যাদের নাম থাকে, তাদের মাসিক খরচ-খরচাও আকাশছোঁয়া হবে। তবে যখন প্রথম অ্যন্টিলিয়ায় থাকা শুরু করে অম্বানী পরিবার, সেই প্রথম মাসে বিদ্যুতের বিল কত এসেছিল, সেই তথ্যই ফাঁস হয়ে গিয়েছে।

মুম্বই: বাণিজ্যনগরী মুম্বই। এই শহর কখনও ঘুমায় না। আগে মুম্বইতে কেউ ঘুরতে গেলে যে দর্শনীয় স্থানগুলির কথা বলা হত, তাতে ছিল জুহু বিচ থেকে মুম্বই গেট, তাজ হোটেল, এলিফ্যান্ট কেভ। অনেকেই আবার বলিউড তারকা অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, সলমন খানের বাড়িও দেখতে যান। এই তালিকায় বিগত কয়েক বছর ধরে সংযোজন হয়েছে অ্যান্টিলিয়া। দেশের সবথেকে বড় শিল্পপতি মুকেশ অম্বানীর বাড়ি এটা। ২৭ তলা এই বাড়িতে সুইমিং পুল থেকে হেলিপ্যাড- কী নেই! বাড়ি নয়, এটিকে রাজপ্রাসাদ বলাই ভাল। কখনও ভেবে দেখেছেন, অম্বানীর এই বিশালাকৃতির বাড়িতে প্রতি মাসে কত বিদ্যুতের বিল আসে?
স্থাপত্য়ের জন্য় চর্চিত মুকেশ অম্বানীর অ্যান্টিলিয়া। ১৫ হাজার কোটি টাকা খরচ করে মুম্বইয়ের বুকে এই বাড়ি বানিয়েছেন অম্বানী। ৮ মাত্রার ভূমিকম্পও এই বাড়িতে টলাতে পারবে না। ৪ লক্ষ স্কোয়ারফুটের ২৭ তলার বাড়ির ভিতরে কী কী রয়েছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহের শেষ নেই।
২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে এই বাড়িতে বসবাস করছেন অম্বানী পরিবার। বিশ্বের ধনকুবেরদের তালিকায় যাদের নাম থাকে, তাদের মাসিক খরচ-খরচাও আকাশছোঁয়া হবে। তবে যখন প্রথম অ্যন্টিলিয়ায় থাকা শুরু করে অম্বানী পরিবার, সেই প্রথম মাসে বিদ্যুতের বিল কত এসেছিল, সেই তথ্যই ফাঁস হয়ে গিয়েছে।
জানা যায়, ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অম্বানী পরিবার অ্যান্টিলিয়ায় পাকাপাকিভাবে থাকা শুরু করে। ওই মাসে তাদের বিদ্যুৎ খরচ হয়েছিল ৬,৩৭,২৪০ ইউনিট। ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের রিপোর্ট অনুযায়ী, অ্যান্টিলিয়ার প্রথম মাসের বিদ্যুতের বিল এসেছিল ৭০ লক্ষ ৬৯ হাজার ৪৮৮ টাকা।
অম্বানী পরিবার প্রথম মাসেই যে পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ করেছিল, সেই ইউনিটে মুম্বইয়ের প্রায় ৭০০০ মধ্যবিত্ত পরিবারের বিদ্যুৎ খরচের সমান। তবে অ্যান্টিলিয়ায় এই বিপুল বিদ্যুতের বিল হওয়ার কারণও রয়েছে।
এই বাড়িটি সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, রয়েছে একাধিক হাই-স্পিড এলিভেটর, জল গরমের সিস্টেম থেকে দেশ-বিদেশ থেকে আনা লাইটিং। এছাড়াও নিজস্ব স্পা, সুইমিং পুল, হেলথ সেন্টার, স্নো রুম, কর্মীদের আলাদা কোয়ার্টার- সবই আছে। অ্যান্টিলিয়ায় একসঙ্গে ১৬৮টি গাড়ি রাখা যায়।
শোনা যায়, ২৭ তলার এই বাড়িতে একমাত্র ২৬ তলাতেই গোটা অম্বানী পরিবার অর্থাৎ মুকেশ অম্বানী ও তাঁর স্ত্রী নীতা অম্বানী, বড় ছেলে আকাশ, তাঁর স্ত্রী শ্লোকা মেহতা, নাতি-নাতনি পৃথিবী ও বেদ এবং ছোট ছেলে অনন্ত অম্বানী ও রাধিকা মার্চেন্ট থাকেন। নীতা অম্বানী জানিয়েছিলেন যে তিনি উপরের তলেই থাকতে পছন্দ করেন প্রাকৃতিক আলো ও বাতাসের সুগম চলাচলের জন্য।
