AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Income Tax Notice: অ্যাকাউন্টে কত টাকা জমা পড়লে আয়কর নোটিস আসতে পারে? UPI লেনদেনেও নজর রাখে ইনকাম ট্যাক্স!

Financial Transaction: ডিজিটাল লেনদেনের উপর আয়কর দফতরের নজরদারি থাকবে না, এমনটা নয়। আয়কর সংক্রান্ত তদন্ত বা যাচাইয়ের সময় ব্যাঙ্কের লেনদেনের হিসাব খতিয়ে দেখা হতে পারে। ঘোষিত আয়ের সঙ্গে অ্যাকাউন্টে জমা পড়া টাকার অঙ্কের অসঙ্গতি থাকলে, আয়কর বিভাগ তার ব্যাখ্যা চাইতে পারে।

Income Tax Notice: অ্যাকাউন্টে কত টাকা জমা পড়লে আয়কর নোটিস আসতে পারে? UPI লেনদেনেও নজর রাখে ইনকাম ট্যাক্স!
প্রতীকী চিত্র।Image Credit: Pexels
| Updated on: Oct 22, 2026 | 2:47 PM
Share

নয়া দিল্লি:  আপনার অ্যাকাউন্টে হঠাৎ মোটা অঙ্কের টাকা জমা পড়েছে? কিংবা কেউ ইউপিআই-র মাধ্যমে অনেক টাকা পাঠিয়েছে? তাহলে কি এবার আয়কর নোটিস আসবে? ইনকাম ট্যাক্স নিয়ে অনেকেরই ধারণা স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে কোন লেনদেনে আয়কর নোটিস আসতে পারে, তা নিয়ে সংশয় থাকে।

বর্তমানে ইউপিআই(UPI)-এর মাধ্যমে টাকা লেনদেন অত্যন্ত সহজ পদ্ধতি। সব ক্ষেত্রেই ডিজিটাল লেনদেন বাড়ছে। কিন্তু ইউপিআই-তে বেশি টাকা ঢুকলেই কি আয়কর দফতর থেকে নোটিস আসতে পারে? এই বিষয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউপিআই-তে যেহেতু টাকা লেনদেনের নির্দিষ্ট কোনও বার্ষিক সীমা নেই, যা বেশি হলেই আয়কর নোটিস আসবে। তবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়া টাকার অঙ্কের সঙ্গে ঘোষিত আয়ের অসঙ্গতি থাকলে, সেই টাকার উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন করতে পারে আয়কর দফতর।

ইউপিআই-তে কত টাকা লেনদেন করলে আয়কর নোটিস আসতে পারে?

ধরা যাক, কোনও চাকরিজীবী ব্য়ক্তির বার্ষিক আয় ১২ লক্ষ টাকা। কিন্তু এক বছরে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৪০ লক্ষ টাকা জমা পড়েছে। এই অতিরিক্ত টাকার মধ্যে বন্ধু বা আত্মীয়ের পাঠানো টাকা, ব্যক্তিগত লেনদেন কিংবা ব্যবসার আয় থাকতে পারে। এই টাকা অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে বলেই পুরো অর্থ করযোগ্য হয়ে যাবে, এমনটা নয়। তবে আয়কর দফতর যদি জানতে চায়, তাহলে টাকার উৎস এবং লেনদেনের কারণ ব্যাখ্যা করতে হতে পারে।

অনেকের ধারণা, ইউপিআই-তে নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি টাকা লেনদেন হলেই সেই তথ্য আয়কর দফতরের কাছে চলে যায়। কিন্তু বিষয়টি তেমন নয়। স্টেটমেন্ট অব ফিন্যান্সিয়াল ট্রানজাকশন (Statement of Financial Transactions)-র নিয়ম অনুযায়ী, সেভিংস অ্যাকাউন্টে এক বছরে ১০ লক্ষ টাকা বা তার বেশি নগদ জমা পড়লে এবং কারেন্ট অ্যাকাউন্টে এক বছরে ৫০ লক্ষ টাকা বা তার বেশি নগদ জমা পড়লে, সেক্ষেত্রে তথ্য জানানোর নিয়ম রয়েছে। তবে এই সীমা ইউপিআই (UPI), এনইএফটি (NEFT), আরটিজিএস (RTGS) বা আইএমপিএস (IMPS)-এর মতো ডিজিটাল ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে এক নিয়ম প্রযোজ্য নয়।

ডিজিটাল লেনদেনের উপর আয়কর দফতরের নজরদারি থাকবে না, এমনটা নয়। আয়কর সংক্রান্ত তদন্ত বা যাচাইয়ের সময় ব্যাঙ্কের লেনদেনের হিসাব খতিয়ে দেখা হতে পারে। ঘোষিত আয়ের সঙ্গে অ্যাকাউন্টে জমা পড়া টাকার অঙ্কের অসঙ্গতি থাকলে, আয়কর বিভাগ তার ব্যাখ্যা চাইতে পারে।

আয়কর আইন, ২০২৫-এর ধারা ১০২ অনুযায়ী, কোনও অর্থের উৎস সম্পর্কে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারলে তার বিরুদ্ধে আয়কর আইনে পদক্ষেপ বা শাস্তি হতে পারে। অর্থাৎ, ৬০ হাজার টাকা জমা পড়লেও তার উৎস নিয়ে যেমন প্রশ্ন উঠতে পারে, আবার ৬ লক্ষ টাকা জমা পড়লেও একইভাবে ব্যাখ্যা চাওয়া হতে পারে।

অন্যের টাকা নিজের অ্যাকাউন্টে নিয়ে আবার পাঠালে কি সমস্যা হতে পারে?

কখনও কখনও একাধিক বন্ধুর কাছ থেকে টাকা নিয়ে একসঙ্গে কোনও জিনিস কেনা হয়। আবার অন্য কারোর হয়ে টাকা গ্রহণ করে, পরে আবার তাঁর অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এই ধরনের লেনদেনের পিছনে বৈধ কারণ থাকতে পারে। কিন্তু বারবার নিজের অ্যাকাউন্টে টাকা নিয়ে অন্য কাউকে পাঠালে ব্যাঙ্কের কাছে লেনদেনের ধরন বা প্যাটার্ন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তার কারণ প্রতারণার টাকা সরানোর জন্য কখনও কখনও অন্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের অ্যাকাউন্টকে ‘মানি মিউল’ অ্যাকাউন্ট বলা হয়। তাই সন্দেহজনক লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যাঙ্ক বা তদন্তকারী সংস্থা খোঁজ নিতে পারে। তাই এই ধরনের লেনদেনের ক্ষেত্রে কে টাকা পাঠিয়েছেন, কেন পাঠিয়েছেন এবং পরে কাকে টাকা দেওয়া হয়েছে- তার লিখিত প্রমাণ, ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট ও অন্যান্য নথি রাখা জরুরি।

Follow Us