Income Tax: ৩১ মার্চের আগে এই সমস্ত কাজগুলি করে ফেলুন, নাহলে খরচ বেড়ে যাবে অনেকটা

ITR File: এবারের কেন্দ্রীয় বাজেটে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেছেন যে চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে নতুন আয়কর আইন কার্যকর হবে। ৩১ মার্চের ডেডলাইন শেষ হওয়ার আগে আয়কর সংক্রান্ত এই কাজগুলি সেরে ফেলুন, নাহলে পরে সমস্যা হবে।

Income Tax: ৩১ মার্চের আগে এই সমস্ত কাজগুলি করে ফেলুন, নাহলে খরচ বেড়ে যাবে অনেকটা
ফাইল চিত্র।Image Credit source: Pixabay

|

Feb 08, 2026 | 1:35 PM

নয়া দিল্লি: দেখতে দেখতে আরও একটা অর্থবর্ষ শেষের পথে। চলতি অর্থবর্ষ (২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ) শেষ হবে আগামী ৩১ মার্চ। এই মার্চ মাস শেষ হওয়ার আগেই আয়কর সহ একাধিক করের কাজ মিটিয়ে ফেলতে হয়। এবারের কেন্দ্রীয় বাজেটে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেছেন যে চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে নতুন আয়কর আইন কার্যকর হবে। ৩১ মার্চের ডেডলাইন শেষ হওয়ার আগে আয়কর সংক্রান্ত এই কাজগুলি সেরে ফেলুন, নাহলে পরে সমস্যা হবে। কী কী কাজ ৩১ মার্চের মধ্যে করতে হবে, জেনে নিন-

বেতনের তথ্য-

আপনি যদি বেতনভোগী কর্মচারী হন এবং চলতি আর্থিক বছরে একাধিক কোম্পানিতে কাজ করেন, তাহলে আপনার পূর্ববর্তী নিয়োগকর্তা অর্থাৎ পুরনো অফিস থেকে প্রাপ্ত বেতনের বিবরণ, বর্তমান সংস্থায় জমা দিন। ফর্ম 12B- জমা করতে হবে এই ক্ষেত্রে। এটি আপনার মোট আয়ের উপর ভিত্তি করে সঠিক কর হিসাব করবে। এই কাজ না করলে, প্রতিটি সংস্থার কাছ থেকে আলাদা আলাদা ছাড় পেতে পারেন, যার ফলে আপনার ITR ফাইল করার সময় করের হিসাবে ভুল হতে পারে। এবং এরফলে পরে আপনাকে এককালীন কর এবং সুদ দিতে হতে পারে।

খরচের প্রমাণ-

পুরনো কর কাঠামোয় কর্মীদের HRA, LTA এবং অন্যান্য ভাতা দেওয়া হয়। এই ভাতা পাওয়ার জন্য তাদের সংস্থার কাছে খরচের প্রমাণ জমা দিতে হত। যদি নথিপত্র সময়মতো জমা না দেওয়া হয়, তাহলে সংস্থা এই ভাতাগুলির উপরে কর বসাতে পারত। যদিও কর্মীরা পরে ITR দাখিল করার সময় এই কর ছাড় আবেদন করতে পারেন। তবে যদি সময়মতো নথিপত্র জমা দেন, তাহলে অতিরিক্ত কর দেওয়ার ঝামেলা এড়ানো সম্ভব।

ব্যাঙ্ক রেকর্ড-

বর্তমান সময়ে অনেকেরই বিমা প্রিমিয়াম, ELSS বিনিয়োগ, বা গৃহঋণের EMI-এর মতো খরচ থাকে। এই টাকা আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। কখনও কখনও ECS সমস্যা বা চেক ক্লিয়ার না হওয়ার ফলে  টাকা আটকে যায়। এই ক্ষেত্রে 80C ধারা এবং অন্যান্য করের সুবিধা পেতে ৩১ মার্চের আগে সমস্ত পেমেন্ট বা বিকল্প বিনিয়োগ করা উচিত।

অগ্রিম কর-

টিডিএস কাটার পর যদি আপনার মোট কর ১০ হাজার টাকার বেশি হয়, তাহলে অগ্রিম কর দিতে হবে। আপনি যদি বেতনভোগী হন, তবে ভাড়া, সুদ, লভ্যাংশ বা মূলধন লাভের মতো অতিরিক্ত আয়ের উপর অগ্রিম কর প্রযোজ্য হতে পারে। ৩১ মার্চের মধ্যে এই কর পরিশোধ করা হলে, মিস করা কিস্তিগুলিও অগ্রিম কর হিসেবে বিবেচিত হবে। অগ্রিম কর না দিলে, এর উপরে সুদ বসতে পারে।

পিপিএফ এবং এনপিএসে ন্যূনতম বিনিয়োগ-

পিপিএফ অ্যাকাউন্ট সক্রিয় রাখতে, বছরে কমপক্ষে ৫০০ টাকা জমা করতে হবে। তা না করলে অ্যাকাউন্টটি নিষ্ক্রিয় হয়ে যেতে পারে। পরে এটি ফের সক্রিয় করতে অতিরিক্ত ফি দিতে হতে পারে। একইভাবে, এনপিএস অ্যাকাউন্টের জন্য ন্যূনতম বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। ৩১ মার্চের আগে এই বিনিয়োগ করে ফেলুন।