AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

India-US Deal: মার্চেই হবে সইসাবুদ, ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যিক সমঝোতায় চাপ বাড়বে পুতিনের?

India-USA Deal News: অবশ্য এই শুল্কের পরিমাণ যে কমবে, তা খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই ঘোষণা করে দিয়েছিলেন। মিনিট তিরিশেক মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল তাঁর। তারপরই নিজের এক্স হ্য়ান্ডেলে মোদী লিখেছিলেন, 'ভারতীয় পণ্যে এবার থেকে ১৮ শতাংশ শুল্ক চাপাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অনেক ধন্যবাদ।'

India-US Deal: মার্চেই হবে সইসাবুদ, ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যিক সমঝোতায় চাপ বাড়বে পুতিনের?
ফাইল ছবিImage Credit: Getty Image
| Updated on: Feb 05, 2026 | 4:15 PM
Share

নয়াদিল্লি: দীর্ঘদিনের টালবাহানা, মিলছিল না মত। সব কিছু চূড়ান্ত হয়ে গিয়েও চুক্তি হয়ে যাচ্ছে বানচাল। ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যের চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে একরাশ অনিশ্চয়তা। তবে সেই মেঘ এবার কাটার সময় এসেছে। আগামী সপ্তাহের মধ্য়েই এই নিয়ে বড় কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে দুই পক্ষ। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে কমে যেতে পারে ভারতীয় পণ্য়ের উপর চাপানো শুল্ক।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি, তাঁদের একটি সূত্র মারফৎ জানতে পেরেছে, আগামী সপ্তাহে ভারতীয় পণ্যের উপর চাপানো শুল্কের পরিমাণ ৫০ থেকে কমিয়ে সরাসরি ১৮ শতাংশে নামিয়ে দিতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে রাশিয়ার থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা বন্ধ করে দিতে পারে নয়াদিল্লি। তার পরিবর্তে আমেরিকার থেকে ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিদ্যুৎ এবং প্রযুক্তি সংক্রান্ত পণ্য কিনবে তাঁরা।

এদিন নয়াদিল্লিতে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ভারত-আমেরিকা চুক্তি নিয়ে মুখ খোলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। তিনি বলেন, ‘মার্চ মাসের মধ্য়ে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যচুক্তির প্রথম পর্বের জন্য একটি আইনি চুক্তি স্বাক্ষর করা হতে পারে বলেই আশা করা হচ্ছে। এই নিয়ে আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যে একটি যৌথ বিবৃতি জারি করা হবে। তারপরে ভারতীয় পণ্যের উপর শুল্ক কমানো হবে।’

অবশ্য এই শুল্কের পরিমাণ যে কমবে, তা খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই ঘোষণা করে দিয়েছিলেন। মিনিট তিরিশেক মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল তাঁর। তারপরই নিজের এক্স হ্য়ান্ডেলে মোদী লিখেছিলেন, ‘ভারতীয় পণ্যে এবার থেকে ১৮ শতাংশ শুল্ক চাপাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অনেক ধন্যবাদ।’ এই সিদ্ধান্তের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রফতানিকারী ভারতের পড়শি দেশগুলি, যেমন – চিন (৩৪ শতাংশ), পাকিস্তান (১৯ শতাংশ) এবং বাংলাদেশের (২০ শতাংশ) থেকে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে নয়াদিল্লি। অন্যদিকে রুশ তেল আমদানি নিয়ে মন্তব্য করেনি নয়াদিল্লি। তবে বাণিজ্যিকসমঝোতার পর ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে রাজি হয়েছে নয়াদিল্লি। অন্যদিকে মস্কো জানিয়েছে, দিল্লি থেকে তাদের এখনও এমন কিছু জানানো হয়নি।