Indian Navy: এবার সমুদ্রে শক্তি বাড়ছে ভারতের, নতুন মিসাইল হাতে পাচ্ছে ভারতের নৌবাহিনী!

Indian Armed Forces: লং রেঞ্জ অ্যান্টি-শিপ মিসাইল তৈরি করেছে ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইনেশন বা ডিআরডিও। এই মিসাইল একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র। যা কিনা শব্দের গতির প্রায় ১০ গুণ বেগে অর্থাৎ ম্যাক ১০ গতিবেগে লক্ষ্যবস্তুর দিকে ধাওয়া করে।

Indian Navy: এবার সমুদ্রে শক্তি বাড়ছে ভারতের, নতুন মিসাইল হাতে পাচ্ছে ভারতের নৌবাহিনী!
ভারতের হাতে ভয়ঙ্কর অস্ত্র!

Jan 12, 2026 | 5:50 PM

সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভারতের লং রেঞ্জ অ্যান্টি-শিপ মিসাইল। ২০২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন প্রকাশ্যে আসবে এই ক্ষেপণাস্ত্র। এই অত্যাধুনিক মিসাইল দূর সমুদ্রে শত্রু যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের জন্য বিশেষ ভাবে এই মিসাইলের নকশা করা হয়েছে। ইন্দো-প্যাসিফিক ও ভারত মহাসাগর অঞ্চলে নিরাপত্তা বারেবারেই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। আর সেই যায়গায় এই মিসাইলের প্রকাশ্যে আসা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

এই লং রেঞ্জ অ্যান্টি-শিপ মিসাইল তৈরি করেছে ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইনেশন বা ডিআরডিও। এই মিসাইল একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র। যা কিনা শব্দের গতির প্রায় ১০ গুণ বেগে অর্থাৎ ম্যাক ১০ গতিবেগে লক্ষ্যবস্তুর দিকে ধাওয়া করে। আর এই মিসাইলের গতিবেগ এমন বেশি হওয়ার কারণে শত্রুপক্ষের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের পক্ষে এই মিসাইলকে প্রতিহত করা বেশ কঠিন।

নতুন এই মিসাইলের পাল্লা ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার। এয়ারক্র্যাফট ক্যারিয়ার, ডেস্ট্রয়ার ও অন্যান্য নৌযান ধ্বংসে সক্ষম এই মিসাইল। এ ছাড়াও উন্নত প্রযুক্তির রেডার ও স্মার্ট গাইডেন্স ব্যবস্থার কারণে নির্ভুল লক্ষ্যে এই মিসাইল আঘাতও করতে পারে। ভারতের দীর্ঘ উপকোল ও সমুদ্রপথে বাণিজ্য নির্ভরতার কারণে এই মিসাইল ভারতের কাছে একটি কৌশলগত সম্পদ হিসাবেই পরিগণিত হতে চলেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন ভারতের সমুদ্র নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা নেবে এই মিসাইল।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us