Petrol-Diesel : একধাক্কায় বাড়ল ৩৪ টাকা, ডিজ়েল নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের
Diesel export duty hiked: রপ্তানি শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী,ডিজ়েল রপ্তানির উপর শুল্ক দ্বিগুণেরও বেশি করা হয়েছে। আগে ডিজ়েলের রপ্তানি শুল্ক ছিল প্রতি লিটারে ২১.৫ টাকা। যা এখন বাড়িয়ে প্রতি লিটারে ৫৫.৫ টাকা করা হয়েছে। প্রায় ৩৪ টাকা শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও,বিমানে ব্যবহৃত জ্বালানির উপরও শুল্ক বাড়ানো হয়েছে।

নয়া দিল্লি: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা আজকের বৈঠকের উপর নির্ভর করছে। পাকিস্তানে মুখোমুখি হয়েছে ইরান ও আমেরিকা। তবে, এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। সেই প্রভাব থেকে বাদ যায়নি ভারতও। হরমুজ় বন্ধ করে দেওয়ায় গ্যাসের ভাণ্ডারে সংকট তৈরি হয়। গ্যাসের দাম বাড়ে। কিন্তু, উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতেও পেট্রল-ডিজ়েলের দাম বাড়ায়নি কেন্দ্র। তবে, এবার ডিজ়েলের ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের। প্রতি লিটার ডিজ়েলের উপর শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। একধাক্কায় প্রায় ৩৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর।
মূলত, রপ্তানি শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী,ডিজ়েল রপ্তানির উপর শুল্ক দ্বিগুণেরও বেশি করা হয়েছে। আগে ডিজ়েলের রপ্তানি শুল্ক ছিল প্রতি লিটারে ২১.৫ টাকা। যা এখন বাড়িয়ে প্রতি লিটারে ৫৫.৫ টাকা করা হয়েছে। প্রায় ৩৪ টাকা শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও,বিমানে ব্যবহৃত জ্বালানির উপরও শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। ATF-এর রপ্তানি শুল্ক প্রতি লিটারে ২৯.৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪২ টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি হাই-স্পিড ডিজ়েলের ওপর আবগারি শুল্ক বাড়িয়ে ২৪ টাকা করা হয়েছে। ইনফ্রা সেস বাড়িয়ে ৩৬ টাকা করা হয়েছে।
পেট্রলের রপ্তানির উপর কোনও নতুন কর আরোপ করা হয়নি। রপ্তানি শুল্ক আগের মতোই শূন্য থাকবে। এর অর্থ হল, সরকার বর্তমানে অভ্যন্তরীণ বাজারে পেট্রল সরবরাহ নিয়ে কোনও সংকট বা ঘাটতির আশঙ্কা করছে না।
কেন রপ্তানি শুল্ক বাড়ানো হল?
যখন কোনও তেল শোধনাগার সংস্থা ভারতে অপরিশোধিত তেল আমদানি করে এবং তা পরিশোধন করে, তখন তাদের সামনে দুটি প্রধান বিকল্প থাকে। পরিশোধিত জ্বালানি দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে বিক্রি করা কিংবা তা বিদেশে রপ্তানি করে বিপুল মুনাফা অর্জন করা। কখনও কখনও, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেশি থাকলে, সংস্থাগুলো দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা উপেক্ষা করে বিদেশে তেল বিক্রি করে। এই পরিস্থিতি প্রতিরোধ করতে এবং দেশের অভ্যন্তরে ডিজেল ও অন্যান্য জ্বালানির পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে, সরকার এই রপ্তানি শুল্ক আরোপ করে। এই বর্ধিত শুল্ক সংস্থাগুলোর জন্য রপ্তানিকে আরও ব্যয়বহুল করে তোলে, যা তাদের দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে পণ্য বিক্রির দিকে মনোনিবেশ করতে বাধ্য করে। সেক্ষেত্রে দেশে তেলের ঘাটতি থাকে না।
