
ভারতের শেয়ার বাজার গত ১ বছরে বারে বারে ধাক্কা খেয়েছে। কিন্তু তারপরও ২০২৫ সালে ১২ শতাংশের কাছাকাছি রিটার্ন দিয়েছে এই বাজারই। এমনকি ২০২৬ সালে সর্বকালের সর্বোচ্চও ছুঁয়ে ফেলেছে নিফটি। কিন্তু আপনার পোর্টফোলিওতে থাকা স্টকগুলোর কী অবস্থা? বাজার চড়ছে, তারপরও কি বাড়ছে না আপনার শেয়ার?
আসলে সূচক বা ইনডেক্স ওপরে ওঠে কিছু ‘হেভিওয়েট’ শেয়ারের দাপটে। রিলায়েন্স বা এইচডিএফসি-র মতো বড় কোম্পানি ভাল ফল করলে নিফটি বা সেনসেক্স বাড়তে থাকে। কিন্তু আপনার কেনা ছোট বা মাঝারি শেয়ারটি হয়তো তখন ধুঁকছে। আর একে বলে ‘কনসেন্ট্রেটেড মার্কেট লিডারশিপ’।
কোনও শেয়ারে বিনিয়োগ করতে হলে বেশ কিছু ক্ষেত্রে নজর রাখতে হয়। এর মধ্যে যেমন রয়েছে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পছন্দ তেমনই রয়েছে সেই সব সংস্থার ফান্ডামেন্টাল। এমনকি বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশার উপর নির্ভর করেও অনেক ক্ষেত্রে শেয়ারের দাম।
আতঙ্কিত হবেন না। লসে শেয়ার বিক্রি করার আগে কোম্পানির ব্যালেন্স শিট আর পিএন্ডএল রিপোর্ট দেখুন। এক বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘মার্কেট যখন শুধু ঊর্ধ্বমূখী হয় বা নিম্নমূখী হয়, তখন পোর্টফোলিও ডাইভারসিফাই করা বা বিভিন্ন সেক্টরে টাকা ছড়িয়ে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।’ বাজারের এই জোয়ারে গা ভাসানোর আগে নিজের পোর্টফোলিও ডাইভার্সিফাই করুন। এ ছাড়াও যদি আপনার চয়েস করা সংস্থা ভাল হয় তাহলে ধৈর্য ধরুন। তবে, কোম্পানির ব্যালেন্স শিট খারাপ হলে সেই কোম্পানির মায়া না বাড়ানোই ভাল।