Investment in Defence Sector: ভারতকে ‘আত্মনির্ভর’ করতে কেন্দ্রের পরিকল্পনা, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাণে বিদেশি বিনিয়োগে জোর!

Make in India, Defence Sector: বর্তমানে কোনও আলাদা অনুমোদন ছাড়া প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে কোনও সংস্থায় বিদেশি বিনিয়োগের সীমা ৪৯ শতাংশ। আর নতুন প্রস্তাবে এই সীমা বাড়িয়ে ৭৪ শতাংশ করার কথা ভাবছে কেন্দ্রীয় সরকার। এতদিন ৭৪ শতাংশ বিনিয়োগের অনুমতি মিলত শুধু নতুন প্রতিরক্ষা লাইসেন্সের ক্ষেত্রে।

Investment in Defence Sector: ভারতকে আত্মনির্ভর করতে কেন্দ্রের পরিকল্পনা, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাণে বিদেশি বিনিয়োগে জোর!
প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাণে বিদেশি বিনিয়োগ!Image Credit source: Getty Images

Jan 20, 2026 | 4:53 PM

কেন্দ্র সরকারের লক্ষ্য ভারতকে আত্মনির্ভর করা। আর সেই কারণেই প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বিদেশি বিনিয়োগের নিয়মে এক বিরাট পরিবর্তন আসতে চলেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ভারতের মাটিতে আরও বেশি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির লক্ষ্যেই এই সংস্কারের পরিকল্পনা।

বর্তমানে কোনও আলাদা অনুমোদন ছাড়া প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে কোনও সংস্থায় বিদেশি বিনিয়োগের সীমা ৪৯ শতাংশ। আর নতুন প্রস্তাবে এই সীমা বাড়িয়ে ৭৪ শতাংশ করার কথা ভাবছে কেন্দ্রীয় সরকার। এতদিন ৭৪ শতাংশ বিনিয়োগের অনুমতি মিলত শুধু নতুন প্রতিরক্ষা লাইসেন্সের ক্ষেত্রে।

একই সঙ্গে আরও কিছু নিয়মের পর্যালোচনাও করা হচ্ছে। আগে বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে ৭৪ শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগ করা যেত। তবে, এর সঙ্গে এতদিন জুড়ে দেওয়া হত ‘আধুনিক প্রযুক্তি’ নিয়ে আসার একটা চুক্তি। এই শর্তও তুলে দেওয়া হতে পারে। এ ছাড়াও ভারতে পণ্য রফতানি করছে যে সংস্থা, তাদের ভারতে রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র তৈরি করতে হত। এই শর্তও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যদিও এই শর্ত উঠে গেলে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বিনিয়োগ আরও সহজ হয়ে যাবে।

বর্তমানে এয়ারবাস, লকহিড মার্টিন ও রাফালের মতো সংস্থাগুলো ভারতে অংশীদারিত্বে কাজ করছেন। তবুও ভারতের প্রতিরক্ষা খাতে গত ২৫ বছরে বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে মাত্র ২৬.৫ মিলিয়ন ডলার। যা মোট বিদেশি বিনিয়োগের তুলনায় অনেকটাই কম। সরকারের আশা নতুন নিয়মে এই ছবি বেশ কিছুটা হলেও বদলাবে।