
গুরুগ্রাম: এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে কাড়াকাড়ির মাঝেই সুখবর। এবার থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বুক করে ডেলিভারির জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি নিজেই ফাঁকা সিলিন্ডারে ভরে নিতে পারবেন গ্য়াস। কীভাবে জানেন? এলপিজি এটিএম থেকে! হ্যাঁ, ঠিকই দেখছেন। দেশের মধ্য়ে চালু হয়ে গেল এলপিজি এটিএম। কীভাবে কাজ করে এটি?
দিল্লির পার্শ্ববর্তী এলাকায় প্রথম এলপিজি এটিএম চালু হল গুরুগ্রামে। সোহনায় সেক্টর ৩৩-এ সেন্ট্রাল পার্ক ফ্লাওয়ার ভ্যালিতে এই এলপিজি ভেন্ডিং মেশিন চালু হয়েছে, যা সম্পূর্ণ এটিএমের মতোই কাজ করে। ভারত পেট্রোলিয়ামের তরফে পাইলট প্রকল্প হিসাবে এই পরিষেবা চালু করা হয়েছে। গত ৬ মার্চ এই মেশিন ইন্সটল করা হয়েছে।
এই এটিএমে ফাঁকা এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে গেলে মাত্র দুই থেকে তিন মিনিটেই সিলিন্ডার ভরে যাবে। দিন হোক বা রাত, যে কোনও সময়েই এই পরিষেবা পাওয়া যাবে। অর্থাৎ রাত-বিরেতে গ্যাস শেষ হয়ে গেলে আর না খেয়ে থাকতে হবে না। দিনের পর দিন গ্যাসের ডেলিভারি পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। কোনও ফোন, বুকিংয়ের প্রয়োজন পড়বে না।
এই এলপিজি এটিএমের আরও একটি সুবিধা আছে। এতে ভারী লোহার সিলিন্ডার দেওয়া হয় না, তার বদলে ফাইবারের তৈরি কম্পোসিট সিলিন্ডার দেওয়া হয়। এর ওজন মাত্র ৩ কেজি। এতে ১৪ কেজি এলপিজি ভরা যায়। এই সিলিন্ডারটি স্বচ্ছ হওয়ায় এতে সহজেই দেখা যায় যে কতটা গ্যাস বাকি রয়েছে।
এই মেশিনে ১০টি সিলিন্ডারের স্টক থাকে। স্টক দুটি সিলিন্ডারে নেমে এলে অটোমেটিক কাছের গ্যাস এজেন্সিতে খবর চলে যাবে। তারা এসে গ্যাস রিফিল করে যাবে।