LPG: ২১ দিন নয়, গ্যাস বুকিং-এর নিয়মে ফের বদল, সঙ্কটের পরিস্থিতিতে বড় নির্দেশিকা কেন্দ্রের
LPG in India: এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের তরফে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে, যাতে দেশের তৈল পরিশোধনাগারগুলিতে এলপিজি-র উৎপাদন বাড়ানো হয়। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে এই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, "যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি তথা এলপিজি-র জোগানে বড় প্রভাব পড়েছে।

নয়া দিল্লি: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তেলের সঙ্কট ক্রমশ প্রকট হয়ে উঠেছে। ভারত সহ একাধিক দেশে তার প্রভাব পড়েছে। রান্নার গ্যাসের সঙ্কট নিয়ে চিন্তা বাড়ছে সাধারণ মানুষের। এরই মধ্যে গ্যাস বুকিং-এর সময় আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ২১ দিন নয়, ২৫ দিন অন্তর রান্নার গ্যাস বুক করা হয়েছে। রান্নার গ্যাসের দামও বেড়েছে ইতিমধ্যেই।
এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের তরফে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে, যাতে দেশের তৈল পরিশোধনাগারগুলিতে এলপিজি-র উৎপাদন বাড়ানো হয়। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে এই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, “যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি তথা এলপিজি-র জোগানে বড় প্রভাব পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে সব তৈল পরিশোধনাগারগুলিকে এলপিজি প্রোডাকশন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
সঙ্কটের পরিস্থিতিতে সবাই যাতে সমানভাবে সিলিন্ডার পায়, তার জন্য কেন্দ্র ২১ দিন অন্তর গ্যাস বুকিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে সেই সময় আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ২১ দিনের বদল ২৫ দিন অন্তর গ্যাস বুকিং করা যাবে বলে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।
কোনও কালোবাজারি যাতে না হয়, তার জন্য সতর্ক করেছে কেন্দ্র। সেই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা হাসপাতালে যাতে এলপিজি-র কোনও অভাব না হয়, সেই বিষয়টাতেও নজর দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, পরিস্থিতি সামাল দিতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। ওয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলির ডিরেক্টরদের নিয়ে তৈরি করা হয়েছে ওই কমিটি। রেস্তোরাঁ, হোটেল ও অন্যান্য ক্ষেত্রে এলপিজি-র জোগানের বিষয়টিতে নজর রাখবে ওই কমিটি।
হিসেব করে দেখা গিয়েছে, সাধারণ পরিবারে বছরে ৭ থেকে ৮টি ১৪.২ কেজির সিলিন্ডার লাগে। অর্থাৎ ৬ সপ্তাহের আগে সিলিন্ডার বদল করতে হয় না। সেই জোগানটা যাতে ঠিক থাকে, তার জন্যই এই নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে। সাধারণ গৃহস্থের পাশাপাশি রেস্তোরাঁ, হোটেলের মালিকরা রীতিমতো আতঙ্কিত।
