ট্রেনে অর্ডার দেওয়া খাবারের প্যাকেটের উপরে থাকবে QR Code, স্ক্যান করলে কী দেখবেন জানেন?
Indian Railways: শুধুমাত্র বৈধ ভেন্ডরদের থেকেই যাতে ট্রেন যাত্রীরা খাবার নিতে পারেন, তার জন্যই এই ব্যবস্থা। খাবারের গুণমান উন্নত করা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা আরও বজায় থাকবে বলেই জানানো হয়েছে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর তরফে প্রকাশিত বিবৃতিতে।

নয়া দিল্লি: ট্রেনে খাবার অর্ডার করেছেন, কিন্তু খাবার আসছে না? কিংবা খাবারের মান খারাপ? এবার আর ভেন্ডরের খোঁজে ট্রেনে ছোটাছুটি করতে হবে না। আপনি সিটে বসেই জেনে যাবেন আপনার খাবারের প্যাকেট কোথা থেকে এসেছে। ভারতীয় রেলওয়ে এনেছে কিউআর কোড এনেবেলড আইডেন্টিটি কার্ড। ডিজিটাল পদ্ধতিতেই আপনি ট্রেস করতে পারবেন আপনার অর্ডার করা খাবারের প্যাকেট কোথায় আছে।
শুধুমাত্র বৈধ ভেন্ডরদের থেকেই যাতে ট্রেন যাত্রীরা খাবার নিতে পারেন, তার জন্যই এই ব্যবস্থা। খাবারের গুণমান উন্নত করা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা আরও বজায় থাকবে বলেই জানানো হয়েছে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর তরফে প্রকাশিত বিবৃতিতে। ভারতীয় রেলওয়ে জানিয়েছে, একমাত্র রেলওয়ে স্বীকৃত ভেন্ডর ও কর্মীরাই ট্রেনে খাবার পরিবেশনের দায়িত্বে থাকবে।
পিআইবি-র তথ্য অনুযায়ী, সমস্ত অথারাইজড ক্যাটারিং ভেন্ডরদের জন্য কিউআর কোড এনেবেলড আইডেন্টিটি কার্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ভেন্ডর থেকে শুরু করে হেল্পার ও স্টাফদের কাছে এই আইডি থাকবে।
এই আইডেন্টিটি কার্ডে –
- ভেন্ডর বা স্টাফের নাম
- তার আধার নম্বর
- মেডিক্যাল ফিটনেস স্টেটাস
- পুলিশ ভেরিফিকেশন ডিটেইল থাকবে।
খাবারের ডিজিটাল ট্রেস-
যাত্রীদের জন্যও বিশেষ সুবিধা আনা হয়েছে। ট্রেনে সরবরাহ করা খাবারের প্যাকেটের উপরে থাকবে কিউআর কোড। এই কিউআর কোড স্ক্যান করলে বেস কিচেনের নাম, খাবার তৈরির দিন সহ যাবতীয় তথ্য দেখা যাবে। খাবার গুণমান বা পরিচ্ছন্নতা নিয়ে যদি কোনও প্রশ্ন বা সমস্যা থাকে, তাহলে গ্রাহকরা সরবরাহকারীর নাম জানতে পারবেন এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে পারবেন।
প্রসঙ্গত, ট্রেনে বিনা অনুমতিতে হকারি করা বা খাবার বিক্রি করা রেলওয়ে আইন ১৯৮৯-র ১৪৪ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধ। রেল মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ট্রেনের ভিতরে ও রেল স্টেশন চত্বরে অবৈধ ভেন্ডরদের খাবার বিক্রি রুখতে রেল আধিকারিক ও আরপিএফ-রা নিয়মিত ইন্সপেকশন করেন।
