PM-Kisan Samman Nidhi: কড়কড়ে ৬০০০ টাকা ঢুকবে অ্যাকাউন্টে, কৃষকরা ঝটপট আবেদন করুন…
PM Kisan Samman Nidhi apply online: গত ১৩ মার্চ কেন্দ্রীয় সরকার পিএম কিসান সম্মান নিধির ২২তম কিস্তি প্রকাশ করেছে। পরবর্তী ২৩তম কিস্তি জুলাই মাসে দেওয়া হতে পারে। এখন কৃষকরা নতুন করে আবেদন করলে, জুলাই মাস থেকে নিয়মিতভাবে টাকা পাবেন।

নয়া দিল্লি: দেশের কৃষকদের আর্থিক সহায়তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সবথেকে উল্লেখযোগ্য স্কিম হল প্রধানমন্ত্রী কিসান সম্মান নিধি যোজনা (Pradhan Mantri Kisan Samman Nidhi Yojana)। দেশের কোটি কোটি কৃষকরা উপকৃত হন এই স্কিমে। প্রতি বছর তিন কিস্তিতে কৃষকদের ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। এবার নতুন করে রেজিস্ট্রেশন শুরু হল পিএম কিসান নিধির (PM Kisan Nidhi)। অন্ধ্র প্রদেশ, তেলঙ্গানার কৃষকরা যেমন নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন, তেমন অন্যান্য় রাজ্যের কৃষকরাও, যারা এতদিন এই আর্থিক সুবিধা পেতেন না, তারাও নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন।
কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ১ কোটিরও বেশি অযোগ্য কৃষকদের নাম পিএম কিসান সম্মান নিধি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। তার বদলে ১০ লক্ষেরও বেশি নতুন কৃষকের নাম সংযুক্ত করা হয়েছে এই স্কিমে। পিএম কিসান সম্মান নিধির ২১তম কিস্তিতে ৯.৩৫ কোটি কৃষক উপকৃত হয়েছিলেন। ২২তম কিস্তিতে এই সংখ্যা বেড়ে ৯.৪৫ কোটিতে দাঁড়ায়। ২৩তম কিস্তিতে এই সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা।
২৩তম কিস্তি কবে পাবেন কৃষকরা?
গত ১৩ মার্চ কেন্দ্রীয় সরকার পিএম কিসান সম্মান নিধির ২২তম কিস্তি প্রকাশ করেছে। পরবর্তী ২৩তম কিস্তি জুলাই মাসে দেওয়া হতে পারে। এখন কৃষকরা নতুন করে আবেদন করলে, জুলাই মাস থেকে নিয়মিতভাবে টাকা পাবেন।
পিএম কিসান সম্মান নিধির জন্য কীভাবে আবেদন করবেন?
এই প্রকল্পে আবেদন করার কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। কৃষকরা যেকোনও সময় অনলাইনে বা অফলাইনে আবেদন করতে পারেন।
অনলাইন পদ্ধতি:
- প্রথমে পিএম কিসান সম্মান নিধির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট pmkisan.gov.in-এ যেতে হবে।
- এরপরে হোম পেজে ‘ফার্মার্স কর্নার’-এর অধীনে ‘নতুন কৃষক রেজিস্ট্রেশন’-এ ক্লিক করতে হবে।
- আধার নম্বর, মোবাইল নম্বর দিন এবং কোন রাজ্যের কৃষক, তা বেছে নিন।
- মোবাইলে আসা ওটিপি বসান।
- এরপরে একটি ফর্ম আসবে, তা পূরণ করুন।
- আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং জমির রেকর্ডের বিবরণ (জরিপ নম্বর) বসান।
অফলাইন পদ্ধতি:
আপনি সরাসরি আপনার নিকটতম সিএসসি কেন্দ্রে আবেদন করতে পারেন। সেখানে ৫০ টাকা ফি-এর বিনিময়ে আপনার বিবরণ নথিভুক্ত করা হবে। আপনার আধার, পাট্টাদার পাসবুক এবং ব্যাঙ্কের বিবরণ নিয়ে যেতে হবে। সেখানকার কর্মীরা আপনার ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করে দেবেন।
