Plastic Note: চিন-পাকিস্তানকে বেকায়দায় ফেলতে নোট নিয়ে বিরাট সিদ্ধান্ত RBI-র
RBI on Plastic Note: প্লাস্টিকের নোটের আয়ু কাগজের নোটের তুলনায় বেশি হয়। এই প্লাস্টিকের নোট তৈরির জন্য পলিমার সাবস্ট্রাট শিটের প্রয়োজন। এই শিট জোগাড়ের জন্যই এবার বিডিং প্রক্রিয়া শুরু হবে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নোট ছাপানোর বিভাগ মুদ্রণ জানিয়েছে, আগামী ১৮ অগস্টের মধ্যে অন্তঃর্দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উৎপাদনকারীরা তাদের বিড জমা দিতে পারে।

নয়া দিল্লি: কাগজের নোট ঘামে-জলে ছিঁড়ে বা নষ্ট হওয়ার চিন্তা থাকবে না আর। দেশে এবার কাগজের নোটের বদলে চালু হতে পারে প্লাস্টিকের নোট। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (Reserve Bank of India) ইতিমধ্যেই এই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করতে পদক্ষেপ শুরু করেছে। সব কিছু ঠিক চললে, আগামী বছরই প্লাস্টিকের নোট (Plastic Note) চালু হতে পারে।
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া কয়েক মাস আগেই কাগজের নোটের বদলে প্লাস্টিক নোট চালু করার পরিকল্পনা সামনে আনে। পটনা ও মুম্বইতে আরবিআই-র বোর্ড মিটিংয়েও এই নিয়ে আলোচনা হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উৎপাদনকারীদের সঙ্গে কথা বলছে পলিমার সাবস্ট্রাট শিট সরবরাহের বিষয়ে।
কেন প্লাস্টিকের নোট আনা হবে?
প্লাস্টিকের নোটের আয়ু কাগজের নোটের তুলনায় বেশি হয়। এই প্লাস্টিকের নোট তৈরির জন্য পলিমার সাবস্ট্রাট শিটের প্রয়োজন। এই শিট জোগাড়ের জন্যই এবার বিডিং প্রক্রিয়া শুরু হবে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নোট ছাপানোর বিভাগ মুদ্রণ জানিয়েছে, আগামী ১৮ অগস্টের মধ্যে অন্তঃর্দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উৎপাদনকারীরা তাদের বিড জমা দিতে পারে।
মানতে হবে কড়া শর্ত-
তবে এই টেন্ডারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত রয়েছে। যেহেতু নোটের সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি জড়িয়ে রয়েছে, তাই যারা টেন্ডারে অংশ নেবে, তাদের সরকারের কাছ থেকে সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স নিতে হবে। আরও একটি অন্যতম শর্ত থাকবে যে উৎপাদনকারী বা ম্যানুফ্যাকচারার-রা চিন বা পাকিস্তান থেকে কোনও কাঁচামাল আনতে পারবে না। আবার ভারতের জন্য যে কাঁচামাল ও প্লাস্টিক উপাদান ব্যবহার করা হবে, তাও অন্য কোনও দেশে বিক্রি করতে পারবে না। বিশেষ করে চিন, পাকিস্তানের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা রাখতে চাইছে ভারতের নোট। আসলে নোট জালিয়াতি রুখতেই এই উদ্যোগ।
আগেও প্লাস্টিকের নোট চালু হয়েছিল-
প্রসঙ্গত, ২০০০ সালের ডিসেম্বর মাসে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া প্রথমবার প্লাস্টিকের নোট আনার পরিকল্পনা করেছিল। ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আরবিআই ট্রায়াল ভিত্তিক ১০ টাকার এক বিলিয়ন অর্থাৎ ১০০ কোটি নোট এনেছিল বাজারে। জয়পুর, সিমলা, ভুবনেশ্বর, মাইসোর ও কোচিতে এই নোট চালু করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় এটিএম-গুলিতে এই ধরনের নোট সাপোর্ট করত না বলে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
