Rail Worker Death: চন্দননগর যাওয়ার কথা ছিল, আপ লাইনে মিলল রেলকর্মীর দুই টুকরো দেহ!
Hoogly: কমল সেনাপতির বাড়ি ব্যান্ডেলের বলাগড়ে। চন্দননগরে কাজে যাওয়ার জন্য আজ সকাল আটটা নাগাদ বাড়ি থেকে বেড়িয়েছিলেন কমল। তবে কাজে আর যাননি। হুগলি স্টেশনের আপ তিন নম্বর লাইনে ট্রেনে কাটা পড়েন তিনি। দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায় দেহ।

হুগলি: সাতসকালে হুগলি স্টেশনে তীব্র চাঞ্চল্য। রেল লাইন থেকে উদ্ধার হল রেলকর্মীর দুই টুকরো দেহ! গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মানসিক চাপে আত্মঘাতী হয়েছেন কি না ওই রেলকর্মী, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
আজ, শুক্রবার সকালে হুগলি স্টেশনে ট্রেনে কাটা পড়ে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় কমল সেনপতির(৫৩)। তিনি রেলের পাবলিক ওয়ার্কস ইন্সপেক্টর(PWI) ছিলেন। কর্মস্থলে মানসিক চাপে অবসাদগ্রস্থ ছিলেন তিনি, এমনটাই দাবি।
জানা গিয়েছে, কমল সেনাপতির বাড়ি ব্যান্ডেলের বলাগড়ে। চন্দননগরে কাজে যাওয়ার জন্য আজ সকাল আটটা নাগাদ বাড়ি থেকে বেড়িয়েছিলেন কমল। তবে কাজে আর যাননি। হুগলি স্টেশনের আপ তিন নম্বর লাইনে ট্রেনে কাটা পড়েন তিনি। দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায় দেহ। ব্যান্ডেল জিআরপি তাঁর দ্বিখণ্ডিত মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে ব্যান্ডেল জিআরপি থানায় যান সহকর্মীরা।
আজ চন্দননগরে যাওয়ার কথা ছিল কমল সেনাপতির, অথচ ব্যান্ডেলের দিকে যাওয়ার আপ লাইনে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এই নিয়ে ঘনিয়েছে রহস্য। রেলের সহকর্মীদের অভিযোগ, একেই কর্মীর সংখ্যা কম, তার উপর কাজের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ছুটি নেই। প্রায় ২৪ ঘণ্টাই ডিউটি করতে বাধ্য করা হচ্ছে রেলের কর্মীদের।
মৃত কমল সেনাপতিকেও গত কয়েকদিন ধরে মানসিক চাপ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকী, সাসপেন্ড করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। ক’দিন ধরেই এই বিষয় নিয়ে মানসিক অস্ত্বস্তিতে ছিলেন কমল।
রেলের কর্মীদের ওপর অত্যধিক মানসিক চাপ তৈরি করা হচ্ছে। এই বিষয়ে ডিআরএম-কেও জানানো হয়েছে। এর কোন সুরাহা না হলে, আগামিদিনে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রেলের মেনস ইউনিয়ন।
ব্যান্ডেল জিআরপি সূত্রে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুঁচুড়া ইমামবাড়া জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
