Start-Up: ৯টা-৫টার চাকরি ছেড়ে শুরু করেছিলেন ব্যবসা, আজ সফল উদ্যোগপতি রিমঝিম সাইকিয়া!
Rimjhim Saikia, Successful Entrepreneur: কর্পোরেট সংস্থায় চাকরি করতে করতেই তাঁর ঝোঁক বাড়তে থাকে আয়ুর্বেদ ও ওয়েলনেসের দিকে। ধীরে ধীরে তা একটি উদ্দেশ্যে পরিণত হয়। প্রচলিত আয়ুর্বেদিক জ্ঞানকে আধুনিক প্রয়োজনের সঙ্গে মিলিয়ে মানুষের সামনে নিয়ে আসার ভাবনাই তাঁকে বড় সিদ্ধান্ত নিতে অনুপ্রাণিত করে।

আজকের দিনে আমাদের মতো সাধারণ মানুষ নিরাপদ চাকরিকেই সাফল্যের মানদণ্ড বলে মনে করেন। কিন্তু কিছু মানুষ রয়েছেন, যাঁরা মনের কথা শোনেন। রিমঝিম সাইকিয়া ঠিক তেমনই একজন। কর্পোরেট দুনিয়ার আরামদায়ক চাকরি ছেড়ে তিনি বেছে নিয়েছেন আয়ুর্বেদ ও ওয়েলনেসের পথ। তৈরি করেছেন নিজের সংস্থা। তাঁর এই সিদ্ধান্ত একেবারেই সহজ ছিল না। কিন্তু নিজের উপর ভরসা রেখেছিলেন তিনি।
কর্পোরেট কেরিয়ার
রিমঝিমের কর্মজীবনের শুরু একটি পেশাদার কর্পোরেট সংস্থায়। আইআইটি দিল্লি থেকে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে ডিপ্লোমা করার পর তিনি এইচএসবিসি ও ভোডাফোনের মতো বহুজাতিক সংস্থায় কাজ করেন। স্থায়ী বেতন ও নিশ্চিত ভবিষ্যৎ থাকা সত্ত্বেও কোথাও যেন একটা অপূর্ণতা কাজ করছিল তাঁর মধ্যে। তিনি এমন কিছু করতে চাইছিলেন, যা সমাজে প্রভাব ফেলবে।
পরবর্তী লক্ষ্য আয়ুর্বেদ
এই ভাবনা থেকেই কর্পোরেট সংস্থায় চাকরি করতে করতেই তাঁর ঝোঁক বাড়তে থাকে আয়ুর্বেদ ও ওয়েলনেসের দিকে। ধীরে ধীরে তা একটি উদ্দেশ্যে পরিণত হয়। প্রচলিত আয়ুর্বেদিক জ্ঞানকে আধুনিক প্রয়োজনের সঙ্গে মিলিয়ে মানুষের সামনে নিয়ে আসার ভাবনাই তাঁকে বড় সিদ্ধান্ত নিতে অনুপ্রাণিত করে।
নারী ক্ষমতায়ন
চাকরি ছেড়ে রিমঝিম গড়ে তোলেন তাত্ত্বিক আয়ুর্বেদ অ্যান্ড ওয়েলনেস প্রাইভেট লিমিটেড। শুরুতে নানা চ্যালেঞ্জ এলেও ধৈর্য ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে তিনি এগিয়ে চলেন। আর আজ সেই কারণেই তাত্ত্বিক আয়ুর্বেদ পরিচিত মানসম্পন্ন আয়ুর্বেদিক স্কিনকেয়ার পণ্যের জন্য। এই সংস্থায় প্রায় ৮০ শতাংশ কর্মীই মহিলা, যা নারী ক্ষমতায়নের এক বিরাট উদাহরণ।
২০২৩ সালে তাঁর কাজ জাতীয় স্তরে স্বীকৃতি পায়। রিমঝিমের গল্প আমাদের শেখায়—আর্থিক স্বাধীনতা শুধু উপার্জনে নয়, নিজের সিদ্ধান্তে বিশ্বাস রাখার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে। তাঁর যাত্রা তাঁদের জন্য অনুপ্রেরণা, যাঁরা স্বপ্নকে বাস্তব করতে চান।
বিনিয়োগকারী শিক্ষা ও সচেতনতা উদ্যোগ
মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের জন্য একবারের KYC (Know Your Customer) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। এটি শুধুমাত্র নিবন্ধিত মিউচুয়াল ফান্ড সংস্থার সঙ্গেই করুন, যাদের তথ্য SEBI-র ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়। কোনও অভিযোগ থাকলে বিনিয়োগকারীরা সরাসরি সংশ্লিষ্ট AMC-র সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা SCORES পোর্টাল (https://scores.gov.in)-এ অভিযোগ দাখিল করতে পারেন। যদি সমাধান সন্তোষজনক না হয়, তাহলে Smart ODR পোর্টাল (https://smartodr.in/login) ব্যবহার করা যেতে পারে।
HDFC AMC সম্পর্কে
HDFC অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড ভারতের অন্যতম বৃহৎ মিউচুয়াল ফান্ড সংস্থা। এটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০০০ সালে SEBI-র অনুমোদন পাওয়ার পর কার্যক্রম শুরু করে। সংস্থাটি ইক্যুইটি, ফিক্সড ইনকাম এবং অন্যান্য বিনিয়োগ বিকল্প পরিচালনা করে। দেশজুড়ে শাখা নেটওয়ার্কের পাশাপাশি ব্যাংক, স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টা এবং জাতীয় ডিস্ট্রিবিউটরদের মাধ্যমে তারা তাদের পরিষেবা প্রদান করে।
