
এবারের বাজেটে ভারতের ব্যাঙ্কিং ও অর্থনৈতিক সেক্টরে একটা বিরাট বদলের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেন, ব্যালেন্স শিট ঠিক করার গল্প এখন আর নেই। এখন লক্ষ্য , বিকশিত ভারত। শক্তিশালী ব্যালেন্স শিট, ঐতিহাসিক লাভ ও বহু বছরের মধ্যে নন-পার্ফরমিং অ্যাসেটের পরিমাণ ক্রমশ কমে আসা, এই সবই ভারতের অগ্রগতির আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি।
এবারের বাজেটে ছোটখাটো সংশোধন না করে একেবারে কাঠামোগত সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে তৈরি করা হচ্ছে হাই লেভেল কমিটি। এই কমিটি ব্যাঙ্কিং কাঠামো, দক্ষতা, আর্থিক পরিস্থিতি ও গ্রাহক সুরক্ষা খতিয়ে দেখবে।
সরকারি নন-ব্যাঙ্কিং ফাইন্যান্সিয়াল কর্পোরেশনে প্রথম ধাপ হিসাবে পাওয়ার ফাইন্যান্স কর্পোরেশন ও রুরাল ইলেকট্রিফিকেশন কর্পোরেশন লিমিটেডের পুনর্গঠনে জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। এর ফলে, স্কেল ও দক্ষতা বাড়বে সংস্থাগুলোর। পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ ২০ শতাংশ থেকে ৪৯ শতাংশ করার প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা চলছে। যদিও সরকারের ৫১ শতাংশ অংশীদারিত্ব বজায় থাকবে।
কর্পোরেট বন্ডের জন্যও রয়েছে বন্ড ইনডেক্স ডেরিভেটিভ ও টোটাল রিটার্ন সোয়্যাপস। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্যও রয়েছে বিরাট এক স্বস্তি। এর পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা বজায় রেখেই বৃদ্ধি করা হয়েছে ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার। প্রাথমিক ভাবে সরকারি ব্যাঙ্কের শেয়ারে চাপ পড়লেও দীর্ঘমেয়াদে এই সংস্কারগুলো ঋণ বৃদ্ধি ও দেশের উৎপাদনশীলতার জন্য যথেষ্ট ইতিবাচক।