
নয়া দিল্লি: অনলাইন লেনদেনের যুগেও নগদ টাকার দরকার পড়েই। এটিএম (ATM) থেকে ১০০, ২০০ ও ৫০০ টাকার নোট পাওয়া যায়। তবে খুচরো টাকার কী হবে? বাসে-ট্রেনে তো ১০ টাকা, ২০ টাকার নোটের দরকার পড়ে। সেই টাকা এখন অমিল। যে টুকু নোট পাওয়া যাচ্ছে, তাও ছেঁড়া বা চলার যোগ্য নয়। এই নোট সঙ্কট নিয়েই এবার বড় পদক্ষেপ করতে পারে সরকার।
ইউপিআই-র জমানায় খুচরো বা ছোট নোটের আকাল পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার পরিকল্পনা করছে এটিএম থেকে ছোট ছোট নোট ডিসপেন্স (Note Dispense) বা বিতরণ করার। মিন্টের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১০০ টাকা, ২০০ টাকা ও ৫০০ টাকার নোটের মতো এবার এটিএম থেকে ছোট নোট অর্থাৎ ১০ টাকা, ২০ টাকা ও ৫০ টাকার নোটও পাওয়া যাবে।
পাশাপাশি সরকারের পরিকল্পনা হাইব্রিড এটিএম চালু করারও। এই এটিএমে আপনি বড় নোট অর্থাৎ ১০০ টাকা বা ৫০০ টাকার দিলে, তার বদলে খুচরো টাকা পাওয়া যাবে।
সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই খুচরো টাকার মেশিনের প্রোটোটাইপের পরীক্ষা শুরু হয়ে গিয়েছে। যদি ছাড়পত্র মেলে, তাহলে গোটা দেশ জুড়েই হাইব্রিড এটিএম চালু করা হবে। বিভিন্ন বাস স্ট্যান্ড, বাজার, হাসপাতাল ও সরকারি অফিসে এই ধরনের হাইব্রিড এটিএম চালু হতে পারে।
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়াকেও ছোট নোট অর্থাৎ ১০, ২০ টাকার নোট ছাপানোর জন্য আবেদন করা হতে পারে।
দোকানদার থেকে সাধারণ মানুষ, সকলেই সম্প্রতি সমস্যায় পড়েছেন খুচরোর অভাবে। সবার কাছেই যেহেতু ৫০০ টাকা বা ১০০-২০০ টাকার নোট থাকছে, তাই খুচরো টাকা দিতে সমস্যা হচ্ছে। বিশেষ করে যেখানে ইউপিআই চলে না, যেমন বাস, অটো, রিক্সায় যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। অনেকের কাছে এখনও স্মার্টফোন নেই। তাদের কথা মাথায় রেখেই সরকার এই উদ্যোগ নিতে পারে।
তবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যদি ১০ টাকা, ২০ টাকার নোট না ছাপে, তাহলে শুধুমাত্র হাইব্রিড এটিএম বসিয়ে লাভ হবে না।