
আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকান্ড। আর তা নিয়ে এবার শোক প্রকাশ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলও ফুড ও হসপিটালিটি সংস্থাটি। এই সংস্থা তাদের পোস্টে লিখেছে ২৬ জানুয়ারি রাত ৩টে নাগাদ এই আগুন লাগে। প্রাথমিক ভাবে অনুমান, পাশের একটি গোদামে অননুমোদিত ভাবে রান্নার কাজ চলছিল। আর সেখান থেকেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে বিখ্যাত এই মোমো সংস্থার গোডাউনে। আর তাতেই সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায় একটি গুদাম।
ফুড ও হসপিটালিটি সংস্থাটি বলছে, এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রাণ হারান মোমো সংস্থার দুই কর্মী ও একজন চুক্তিভিত্তিক নিরাপত্তা রক্ষী। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থা জানিয়েছে, নিহতদের পরিবারের পাশে রয়েছে তারা। তাদের জন্যও প্রার্থনাও করছে তারা। একই সঙ্গে মৃতদের পরিবারের জন্য একাধিক প্যাকেজও ঘোষণা করেছে ফুড ও হসপিটালিটি সংস্থাটি। এর মধ্যে রয়েছে ৩ জন মৃতের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ, সেই ব্যক্তিদের উপর যাঁরা নির্ভর করেন তাঁদের আজীবন মাসিক বেতন প্রদান ও মৃত কর্মীদের সন্তানদের শিক্ষার সম্পূর্ণ দায়িত্বও নেবে এই সংস্থা।
ফুড ও হসপিটালিটি সংস্থাটির তরফে আরও জানানো হয়েছে আইনি ও বিধিবদ্ধ দায়বদ্ধতার বাইরেও সংস্থা মৃতদের পরিবারগুলোর পাশে থাকবে। ইতিমধ্যেই কর্তৃপক্ষ পরিবারের সদস্য সঙ্গে সরাসরি দেখাও করছে। এ ছাড়াও প্রশাসন ও সরকারি তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বিবৃতির শেষে এই সংস্থা সকলের কাছে আবেদন জানিয়েছে এই কঠিন সময়ে মৃত কর্মীদের পরিবারের জন্য প্রার্থনা করতে। সংস্থা বলছে, তাঁদের সবচেয়ে বড় সম্পদ হল তাঁদের কর্মীরাই। এই বিশ্বাস থেকেই ফুড ও হসপিটালিটি সংস্থাটি কর্মীদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে।