Hooghly: বাড়িতে সজল ধারার জল বন্ধ, পাড়ার কল থেকেও জল নিতে বাধার অভিযোগ, বিজেপি করার ‘ফল’?
Allegation against TMC: তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। গোঘাটের বিজেপি নেত্রী দোলন দাসের দাবি, এটা শুধু অন্যায় নয়, চরম নির্লজ্জতার পরিচয়। তিনি বলেন, "তৃণমূলের কাছ থেকে আপনারা ভালো কিছু আশা করেননি কি? আমরা করি না। বলা হয়, জলই জীবন। সেখানে কে তৃণমূল, কে সিপিএম, কে বিজেপি করছে, এই খতিয়ান দেখা হচ্ছে। তৃণমূল যে কত নিচে নামতে পারে, এরা ক্ষমতায় না এলে জানতে পারতাম না।"

গোঘাট: তাঁদের পরিবার বিজেপি সমর্থক। সেই কারণে সজল ধারার জলের লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি, পাড়ার কল থেকে জল নিতেও বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়েছে হুগলির গোঘাটে। শাসকদলকে নিশানা করেছে বিজেপি। তবে সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে শাসকদলের স্থানীয় নেতৃত্ব।
গোঘাটের সাওড়া পঞ্চায়েতের বাগপাড়া এলাকায় ওই বিজেপি সমর্থক পরিবারের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেল সজল ধারার নল বসানো রয়েছে। কিন্তু, তা দিয়ে জল পড়ছে না। ওই পরিবারের সদস্য শম্পা সাঁতরা বলেন, “আমাদের জল খেতে দিচ্ছেন না স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য। আমাদের বাড়ির কলের পাইপ লাইন কেটে দিয়েছেন। বলতে গেলে পঞ্চায়েত সদস্য হীরুলাল বাগ বলছেন, তোমরা বিজেপি করো।” অন্যের বাড়ি থেকে পানীয় জল আনতে হচ্ছে বলে তিনি জানান। ওই পরিবারের আর এক সদস্য মৌসুমী সাঁতরা জানান, এই নিয়ে পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু, পঞ্চায়েত প্রধানও বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে চাননি। তিনি বলেন, ” আমাদের কথা শুনে পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, সবাই জল খাচ্ছেন, কেন শুধু আপনাদের সমস্যা হচ্ছে?”
যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করছেন অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য হীরুলাল বাগ। তাঁর দাবি, রং দেখে সরকারি পরিষেবা দেওয়া হয় না। তিনি বলেন, “এটা মিথ্যা। আমার সরকার বলে দেয়নি, তুমি বেছে বেছে ঘর দাও, জল দাও। আমি পাড়ায় পাড়ায় দাঁড়িয়ে থেকে ট্যাপ বসিয়ে এসেছি।” কিন্তু, ওই পরিবারের ট্যাপ দিয়ে জল পড়ছে না কেন? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “এখনও কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। আমি নিজে তো কাজ করিনি। মিস্ত্রিরা কাজ করেছেন।”
এব্যাপারে তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। গোঘাটের বিজেপি নেত্রী দোলন দাসের দাবি, এটা শুধু অন্যায় নয়, চরম নির্লজ্জতার পরিচয়। তিনি বলেন, “তৃণমূলের কাছ থেকে আপনারা ভালো কিছু আশা করেননি কি? আমরা করি না। বলা হয়, জলই জীবন। সেখানে কে তৃণমূল, কে সিপিএম, কে বিজেপি করছে, এই খতিয়ান দেখা হচ্ছে। তৃণমূল যে কত নিচে নামতে পারে, এরা ক্ষমতায় না এলে জানতে পারতাম না।”
