
কলকাতা: I PAC কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি তল্লাশি। দিল্লির একটি আর্থিক প্রতারণা মামলায় ইডি তল্লাশিতে আসে। তল্লাশির মাঝেই প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছে যান সিপি মনোজ ভর্মা, আর তার কিছুক্ষণের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তল্লাশির মাঝেই মমতা। কিছুক্ষণের মধ্যে প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলেন সবুজ ফাইল হাতে। বেরিয়ে এসে বিস্ফোরক মমতা। অভিযোগ, অমিত শাহ তাঁর দলের স্ট্র্যাটেজি, প্রার্থী তালিকা, প্ল্যানিংয়ের হার্ড ডিস্ক হাতিয়ে নিতেই তল্লাশি চালিয়েছে। মমতার এই বক্তব্য নিয়ে বিস্ফোরক রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
একদিকে যখন মমতা প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে পৌঁছে যাচ্ছেন গডরেজ ওয়াটার সাইডে আইপ্যাকের অফিসে, তখন বিস্ফোরক শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ইডির উচিত আইন মেনে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই এবার পদক্ষেপ করা।
শুভেন্দু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সংস্থার কাজে এর আগেও হস্তক্ষেপ করেছে। ২০২১ সালে তিনি নিজাম প্যালেসে ধরনা দিয়েছিলেন। ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়, মদন মিত্রদের গ্রেফতারির প্রতিবাদে। এর আগে যখন সারদা মামলায় রাজীব কুমারের বাড়িতে তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা, তিনি সিপিকে নিয়ে ধরনায় বসেছিলেন কলকাতায়। ধর্মতলায় ধরনায় বসেন।” এই কথা প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের কাজ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাজে হস্তক্ষেপ ও তদন্তে বাধা দান। একজন মুখ্যমন্ত্রী কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নেত্রীই নন, তিনি একজন প্রশাসনিক প্রধান। ইডি নিশ্চয়ই ক্ষমতাবলে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বলে আমার মনে হয়েছে। আইনের মধ্যে থেকেই ব্যবস্থা নেবেন।”
শুভেন্দুর কথায়, “আমি মুখ্যমন্ত্রী ও সিপির যাওয়াটাকে মনে করি অসাংবিধানিক, অনৈতিক। তদন্তে সরাসরি বাধাদান।”