Yusuf Pathan: অধীরকে হারানো তৃণমূলের ইউসুফের সম্পত্তি কত জানেন?
Wealth of TMC MP Yusuf Pathan: হলফনামায় ইউসুফ পাঠান জানান, ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ছিল ৩ কোটি ১০ লক্ষ ১৪ হাজার ৯২৮ টাকা। আর ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ২ কোটি ৬ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮৩০ টাকা আয় ছিল তাঁর। তবে পরের অর্থবর্ষে তাঁর আয় অনেকটাই কমে যায়। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ছিল ১ কোটি ২ লক্ষ ৩৯ হাজার ৫০ টাকা। প্রাক্তন এই ক্রিকেটারের আয় পরের অর্থবর্ষে আরও কমে। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ছিল ৬৪ লক্ষ ১৮ হাজার ৫৫০ টাকা। এর পরের অর্থবর্ষে ইউসুফের আয় অবশ্য অনেকটাই বেড়ে যায়।

কলকাতা: ক্রিকেট মাঠে তিনি বড় বড় ছক্কা হাঁকাতেন। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে অধীর-গড় হিসেবে পরিচিত বহরমপুরে তাঁকে তুরুপের তাস করেছিল তৃণমূল। ছক্কা হাঁকিয়ে বহরমপুরের মাটিতে ২৫ বছর পর অধীর চৌধুরীকে হারিয়ে শোরগোল ফেলে দেন প্রাক্তন ক্রিকেট তারকা ইউসুফ পাঠান। কিন্তু, সাংসদ হওয়ার পর বহরমপুরে তাঁকে কতবার দেখা গিয়েছে, তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে ফের তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। রবিবার অবশ্য বেলডাঙায় দেখা গিয়েছে ইউসুফকে। তিনি দাবি করছেন, এলাকাতেই ছিলেন। তাঁর এই মন্তব্য নিয়ে কাটাছেঁটাও শুরু হয়েছে। বহরমপুরেরর সাংসদকে নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যেই দেখে নেওয়া যাক, প্রাক্তন ক্রিকেট তারকা কতটা ধনী? চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায় নিজের সম্পত্তি নিয়ে কী জানিয়েছিলেন তিনি?
কত সম্পত্তি ইউসুফ পাঠানের?
বহরমপুরের তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠানের বাড়ি গুজরাটের ভদোদরায়। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের সময় নিজের হলফনামায় তিনি বিগত পাঁচ অর্থবর্ষে তাঁর আয়ের পরিমাণ জানিয়েছিলেন। সেখানে তিনি জানিয়েছিলেন, ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ছিল ৩ কোটি ১০ লক্ষ ১৪ হাজার ৯২৮ টাকা। আর ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ২ কোটি ৬ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮৩০ টাকা আয় ছিল তাঁর। তবে পরের অর্থবর্ষে তাঁর আয় অনেকটাই কমে যায়। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ছিল ১ কোটি ২ লক্ষ ৩৯ হাজার ৫০ টাকা। প্রাক্তন এই ক্রিকেটারের আয় পরের অর্থবর্ষে আরও কমে। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ছিল ৬৪ লক্ষ ১৮ হাজার ৫৫০ টাকা। এর পরের অর্থবর্ষে ইউসুফের আয় অবশ্য অনেকটাই বেড়ে যায়। কেকেআরের প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার হলফনামায় জানিয়েছেন, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ছিল ২ কোটি ৯৪ লক্ষ ২৮ হাজার ৭৬০ টাকা। স্ত্রীর আয়ের কথা অবশ্য হলফনামায় উল্লেখ করেননি ইউসুফ।
হলফনামায় ইউসুফ জানিয়েছেন, একাধিক ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রয়েছে তাঁর। মিউচুয়াল ফান্ডেও বিনিয়োগ করেছেন। পরিজন ও বন্ধুদের টাকা ধার দিয়েছেন বলেও হলফনামায় জানান প্রাক্তন ক্রিকেট তারকা। ইউসুফের দুটি গাড়ি রয়েছে। হলফনামায় তিনি জানিয়েছেন, ২০১২ সালে তিনি একটি হুন্ডাই ভারনা গাড়ি কেনেন। সেই সময় ক্রয়মূল্য ছিল ১০ লক্ষ ১০ হাজার ৬১০ টাকা। আবার ২০১৯ সালে টয়েটো ফরচুনার কেনেন তিনি। দাম পড়েছিল ৩৫ লক্ষ ৩০ হাজার ৬৩ টাকা।
হিরের গয়না রয়েছে ইউসুফের। হলফনামা জমা দেওয়ার সময় যার মূল্য ছিল ২১ লক্ষ ৫ হাজার ২১০ টাকা। হলফনামা জমা দেওয়ার সময় তাঁর কাছে ১ কোটি ৮৫ লক্ষ ৯২ হাজার ৬৫৮ টাকা মূল্যের সোনা ও রুপোর গয়না ছিল।সবমিলিয়ে তাঁর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ২৪ কোটি ৬ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৫১ টাকা।
ভদোদরায় কৃষিজমিও রয়েছে ইউসুফের। যৌথভাবে বাড়িও কিনেছেন বলে হলফনামায় জানিয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার। সবমিলিয়ে তাঁর স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ২১ কোটি ৫৬ লক্ষ ৩৫ হাজার ৩৫০ টাকা। হলফনামায় তাঁর ঋণের কথাও জানিয়েছেন প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার। হলফনামায় তিনি জানান, তাঁর ১১ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭০ হাজার ৫৫৮ টাকা ঋণ রয়েছে। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে হলফনামায় ইউসুফ জানান, তিনি একাদশ শ্রেণি পাশ করেছেন।
