
কলকাতা: ২০২৬ পরে গেল, ভোটের বছরে পা। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে প্রত্যেক নেতা কর্মীকে চূড়ান্ত প্রস্তুতির বার্তা নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেচ্ছা জানিয়ে তৃণমূল নেত্রীর বার্তা, “কোনও অপশক্তির কাছে মাথানত নয়। সকল রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই মানুষের জন্য সংগ্রাম চলবে।” আর অভিষেক বার্তা দিলেন, “নব উদ্যমে আগামীর লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হোন।”
শুক্রবার থেকেই ময়দানে নেমে পড়ছেন দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড। কালই বারুইপুরে সভা রয়েছে অভিষেকের। এরপর দক্ষিণবঙ্গ-উত্তরবঙ্গ জুড়ে গোটা রাজ্য চষে বেড়ানোর কথা তাঁর। ৩ জানুয়ারি আলিপুরদুয়ার-জলপাইগুড়িতে সভা রয়েছে অভিষেকের। ৬ জানুয়ারি সভা রয়েছে বীরভূমে, ৭ জানুয়ারি সভা রয়েছে উত্তর দিনাজপুরে, ৮ জানুয়ারি মালদহ, ৯ জানুয়ারি সভা রয়েছে রানাঘাট, কৃষ্ণনগর, বনগাঁয়।
১০ জানুয়ারি অভিষেক যাবেন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুরে। ১২ জানুয়ারি কলকাতা, ১৩ জানুয়ারি কোচবিহার, ১৫ জানুয়ারি তমলুক, ১৬ জানুয়ারি মেদিনীপুর, ১৭ জানুয়ারি জঙ্গিপুর, বহরমপুরে সভা করবেন অভিষেক।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কথায়, বঙ্গ রাজনীতির যে জায়গাগুলো ভরকেন্দ্র, অর্থাৎ যে এলাকার সমীকরণ রাজনীতিকে প্রভাবিত করে, সেই সমস্ত জায়গায় বেছে বেছে যাচ্ছেন অভিষেক। অভিষেকের এক মাস ব্যাপী যাত্রায় যে সূতি পাওয়া গিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।
বৃহস্পতিবারই নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। ছিলেন বাকি আরও ৯ সাংসদ। এসআইআর সংক্রান্ত বেশ একাধিক বিষয়ে তিনি CEC জ্ঞানেশ কুমারের সামনে উত্থাপিত করেন। বেরিয়ে এসে সাংবাদিক বৈঠক করেন। একাধিক বিষয়ে কমিশন তাঁর প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি বলে জানান অভিষেক। কমিশনারের সঙ্গে তাঁর আলোচনা এক পর্যায়ে তপ্ত হয় বলেও দাবি অভিষেকের। বাংলার একাধিক জেলা থেকে শুরু করে দিল্লি, সর্বত্রই ভীষণভাবে সক্রিয় অভিষেক।