AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Manirul Islam: ভাঙচুরের ঘটনায় MLA-র যোগই পায়নি পুলিশ! ফুটেজে কাকে দেখা গেল? উঠছে প্রশ্ন

Farakka: নির্বাচন কমিশন জেলাশাসককে বিধায়কের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই অভিযোগও করেনি জেলাশাসক। বিধায়ককে এখনও পর্যন্ত কোনও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি বা কোনও নোটিসও দেওয়া হয়নি খবর পুলিশ সূত্রে। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, আমরা তদন্ত করে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছি।

Manirul Islam: ভাঙচুরের ঘটনায় MLA-র যোগই পায়নি পুলিশ! ফুটেজে কাকে দেখা গেল? উঠছে প্রশ্ন
ঘটনার দিনের ফুটেজImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 25, 2026 | 1:51 PM
Share

ফরাক্কা: তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ডেডলাইনও বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা পার হয়ে যাওয়া পরও কোনও এফআইআর হয়নি মনিরুলের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, পুলিশের দাবি, ভাঙচুরের ঘটনায় বিধায়কের কোনও যোগই পাওয়া যায়নি।

মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই বিজেপি একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। সে ক্ষেত্রেও এফআইআর করল না পুলিশ। অপরিচিত ব্যক্তিদের নামে বিডিও যে অভিযোগ দায়ের করেছেন, সেখানেও বিধায়কের নাম জুড়ল না পুলিশ। বিডিও যে অভিযোগ করেছেন, সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ছ’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল আগেই। তবে এসআইআর-এর শুনানি চলাকালীন ফরাক্কার বিডিও অফিসে ভাঙচুরের ঘটনার ফুটেজে দেখা যায় মনিরুলকে।

প্রশ্ন উঠেছে, বিডিও অফিসে সেদিন কী হয়েছিল, সেই ভিডিয়ো ফুটেজ কি পায়নি পুলিশ? সারা রাজ্যের মানুষ দেখলেও পুলিশ কি দেখেনি সেই ফুটেজ? এর পাশাপাশি বিডিও অফিসে যে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে, সেই সমস্ত ফুটেজ কি দেখেনি? বিধায়ক কে কি ভয় পাচ্ছে পুলিশও?

নির্বাচন কমিশন জেলাশাসককে বিধায়কের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই অভিযোগও করেনি জেলাশাসক। বিধায়ককে এখনও পর্যন্ত কোনও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি বা কোনও নোটিসও দেওয়া হয়নি খবর পুলিশ সূত্রে। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, আমরা তদন্ত করে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছি। পুলিশের দাবি, ভাঙচুরের ঘটনায় বিধায়কের কোনও যোগই পাওয়া যায়নি।

গত ১৪ জানুয়ারি দুপুরে ধন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় ফরাক্কার বিডিও অফিসে। তারপর মঞ্চ থেকেই তৃণমূল বিধায়ককে বলতে শোনা যায়, “মনিরুল ইসলাম যতক্ষণ রয়েছেন, চিন্তা করার কিছু নাই।” পরে নির্বাচন কমিশনকে একটি চিঠি লিখেছেন মনিরুল। তিনি লিখেছেন, “আমি আমার ভাষণে কখনই নির্বাচন কমিশনকে ছোট করতে চাইনি। নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে চাইনি। এসআইআর নিয়ে সাধারণ মানুষের মতামত তুলে ধরতে গিয়ে যা বলার বলেছি।”

বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “রাজ্য প্রশাসন আদর করছে বলেই মনিরুল ইসলামরা এভাবে ঘুরছে।” সোজা আঙুলে ঘি উঠবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।