Hingalganj: বিজেপি করাই অপরাধ, বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে
উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভার কালিতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৫০ নম্বর বুথের সুভাষ গায়েনকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের কালিতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল মণ্ডলের দলবলের বিরুদ্ধে। এর আগেও নাকি প্রধানের দলবল তাঁকে মারধর করে কারণ তিনি বিজেপি করেন তাই।

হিঙ্গলগঞ্জ: ভোটের আগে তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ। বিজেপি করার অপরাধে মারধর। অভিযোগ উঠল তৃণমূলের দলবল ও প্রধানের বিরুদ্ধে। যদিও, অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আহত বিজেপি কর্মীর নাম সুভাষ গায়েন।
উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভার কালিতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৫০ নম্বর বুথের সুভাষ গায়েনকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের কালিতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল মণ্ডলের দলবলের বিরুদ্ধে। এর আগেও নাকি প্রধানের দলবল তাঁকে মারধর করে কারণ তিনি বিজেপি করেন তাই। যদিও, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই কালিতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল মণ্ডলের দাবি, ঝামেলা তিনিই মিটিয়েছেন।
শ্যামল বলেন, “এসআই-এর ফলে সাধারণ মানুষ এমনি আতঙ্কে রয়েছেন। এর মধ্যে বিজেপি কর্মীরা আরও উস্কানিমূলক কথা বলছেন। আমাকে বলা হয়েছে ছাব্বিশ সালের পরে আর দেখা যাবে না। তখনই আমার কিছু ছেলেপেলের সঙ্গে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতি হয়। কিন্তু মারধর করেনি। আমি স্বয়ং ওখানেই দাঁড়িয়ে ছিলাম। তারপরে আমি দু’জনকে ঠেকিয়ে নিয়ে যাই। এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ।” এই ঘটনার পরে হেমনগর কোস্টাল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সুভাষ গায়েন পাঁচজনের বিরুদ্ধে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হেমনগর কোস্টাল থানার পুলিশ।
আহত ব্যক্তি বলেন, “আমরা বাজারে গিয়েছি। ওইখানে তৃণমূলের লোকজন ছিল। আমি মাছ কিনে ফিরছি সেই সময় আমায় ধরে বেধড়ক মারধর করা হয়।”
