AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SIR News: সেরা BLO-র পুরস্কার পেয়েছিলেন, সেই BLO-ই এবার যাচ্ছেন শুনানিতে কাগজ দেখাতে

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের ব্লক অফিস পাড়ার বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেন। তিনি বংশীহারী ব্লকের সমসপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এসআইআরের ২০৮ পার্টের জন্য তিনি নিজে এলাকায় বিএলও-র দায়িত্ব পান। সাজ্জাদরা ছয় ভাই বোন। ২০১২ সাল থেকে বিএলও-র কাজ করছেন। যার ফলে কীভাবে কাজ করতে হবে তার পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিলই।

SIR News: সেরা BLO-র পুরস্কার পেয়েছিলেন, সেই BLO-ই এবার যাচ্ছেন শুনানিতে কাগজ দেখাতে
সাজ্জাদ হোসেনImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 25, 2026 | 1:13 PM
Share

বংশীহারী: নির্দিষ্ট সময়ের আগে SIR-এর কাজ শেষ করেছিলেন। তারপর সেরা বিএলও-র পুরস্কার পেয়েছিলেন। এবার সেই বিএলওকেই ধরানো হল শুনানির নোটিস। নিজের নামে শুনানির নোটিস নিজেই নেন বংশীহারী ব্লকের ২০৮ নম্বর পার্টের বিএলও সাজ্জাদ হোসেন। আগামী ২৮ তারিখ তাঁর শুনানি রয়েছে। এদিকে বিএলওকে শুনানিতে ডাকার ঘটনা জানাজানি হতেই বিজেপিকে নিশানা করেছে শাসক দল। যে বিএলও সেরা পুরস্কার পেল, তিনি কী করে শুনানিতে ডাক পান বলে শাসক দল প্রশ্ন তুলেছে।

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের ব্লক অফিস পাড়ার বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেন। তিনি বংশীহারী ব্লকের সমসপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এসআইআরের ২০৮ পার্টের জন্য তিনি নিজে এলাকায় বিএলও-র দায়িত্ব পান। সাজ্জাদরা ছয় ভাই বোন। ২০১২ সাল থেকে বিএলও-র কাজ করছেন। যার ফলে কীভাবে কাজ করতে হবে তার পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিলই।

২০২২ সালে সেরা বিএলও-র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। এবারেও নিজের কাজ সঠিক ভাবে করার পাশাপাশি সময়ের আগেই শেষ করায় প্রশাসন সেরা বিএলও-র পুরস্কার দিয়েছে। এবার সেই বিএলও পেলেন শুনানির ডাক। গতকালই তিনি শুনানির নোটিস পান। আগামী ২৮ জানুয়ারি বংশীহারী হাইস্কুলে শুনানির ডাক পড়েছে সাজ্জাদের। তাই নিয়ম মেনে নিজের হাতেই নোটিস ধরালেন পেশায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদ। নিয়মের বেড়া জালে পড়ে নিজের হাতে নিজেই নোটিস তুলে নিলেন এবং কর্তব্যের পরিচয় দিলেন ওই বিএলও।

ওই বিএলও বলেন, “আমরা ছ’ভাই বোন। আমাদের যাবতীয় তথ্য দেওয়া রয়েছে। ২০০২ সালের তালিকায় নাম ঠিকই ছিল। কিন্তু অ্যাপে বাবার নাম ঠিক উল্টো-পাল্টা এসেছে।”