
কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানহানির নোটিস পাঠিয়েছিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু সেই চিঠির উত্তর মেলেনি। এবার তাই নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলেন শুভেন্দু। শুভেন্দু সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, “আমি যে মানহানির আইনি নোটিস পাঠিয়েছিলাম, তার জবাব দেওয়ার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। সেই সময়ের মধ্যে তিনি কোনও উত্তর দিতে ব্যর্থ হয়েছেন, যা থেকেই স্পষ্ট তিনি চরম অস্বস্তি ও দিশেহারা অবস্থায় রয়েছেন।”
Mamata Banerjee seems to be at wits end. The time given to Mamata Banerjee vide the Defamation Notice on my behalf has now expired and being in a fix has prevented her from replying.
The Chief Minister by her conduct has made it clear that her imaginary allegations pertaining to…— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) January 14, 2026
শুভেন্দু আরও লিখেছেন, “নিজের আচরণের মাধ্যমেই মুখ্যমন্ত্রী প্রমাণ করেছেন যে, তথাকথিত কয়লা কেলেঙ্কারিতে আমার জড়িত থাকার যে অভিযোগ তিনি তুলেছিলেন, তা সম্পূর্ণই তাঁর কল্পনাপ্রসূত ও বিকৃত মানসিকতার ফল।”
এর প্রেক্ষিতে আইনি পদক্ষেপেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি লেখেন, “আইনি পরিণতি ভোগ করার জন্য প্রস্তুত থাকুন। আদালতেই এর নিষ্পত্তি হবে।”
অভিযোগ, খ্যমন্ত্রীকে কয়লা দুর্নীতির সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী জড়িয়ে মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে। সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করেই এই আইনি চিঠি নন্দীগ্রামের বিধায়কের। চিঠিতে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামের ফলাফলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
IPAC-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে ইডি তল্লাশি থেকেই এই ঘটনার সূত্রপাত। বৃহস্পতিবার এক বেনজির দৃশ্যের সাক্ষী থেকেছে বাংলা তথা গোটা দেশ। কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশির মাঝে ঢুকে মুখ্যমন্ত্রীকে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবারও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিঁধে দাবি করেছিলেন, ইডি-র মাধ্যে তাঁর দলের স্ট্র্যাটেজি, প্রার্থী তালিকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।
যদিও ইডি বিবৃতি দিয়ে জানায়, কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় এই তল্লাশি চলছিল। গোটা দেশের ১০ জায়গায় তল্লাশি চলছিল। তার মধ্যে ৬টি বাংলায় ও চারটি দিল্লিতে। ইডির বক্তব্য, এই তদন্তে হাওয়ালা-যোগও উঠে আসে। আর এখানেই উঠে আসে আইপ্যাকের নাম। ইডির দাবি, ইন্ডিয়ান প্যাক কনসালটিং প্রাইভেট লিমিটেড, অর্থাৎ আইপ্যাকের মাধ্যস্থতার হাওয়ালায় ১০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। অভিযুক্ত বেশ কয়েকজনের বয়ানে এই প্রতীক জৈনের নাম উঠে এসেছে। সেই কারণেই তল্লাশি।