Shamik Bhattacharya: ‘একটু রাস্তায় বেরিয়ে দেখুন’, রাজ্যপাল-CECকে ‘দায়িত্ব নেওয়ার’ বার্তা শমীকের

Shamik Bhattacharya On SIR: বিডিও অফিসে জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ। পুড়ে ছাই নথি! এবার এই গোটা পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবার রাজ্যপাল-নির্বাচন কমিশনারকে পথে নেমে দেখার আহ্বান জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য,  দিল্লি বা রাজভবনে বসে রিপোর্ট পড়ে বাংলার বাস্তব পরিস্থিতি বোঝা সম্ভব নয়।

Shamik Bhattacharya: একটু রাস্তায় বেরিয়ে দেখুন, রাজ্যপাল-CECকে দায়িত্ব নেওয়ার বার্তা শমীকের
কী বলছেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য? Image Credit source: TV 9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jan 16, 2026 | 7:15 PM

কলকাতা: অতিরিক্ত কাজের চাপ! এসআইআর প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই এই একই দাবিতে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিএলও-দের একাংশ। এই পর্বের প্রায় শেষ লগ্নে এসেও বিএলও-দের একাংশের সেই একই অভিযোগ। এবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে গণইস্তফা দিতে শুরু করেছেন বিএলওদের একাংশ। শুধু তাই নয়, অন্তিম লগ্নে দাঁড়িয়ে এসআইআর ইস্যুতে কার্যত জ্বলছে বাংলার প্রশাসনিক ভবন। মুর্শিদাবাদের ফরাক্কায় বিডিও অফিসে খোদ বিধায়কের নেতৃত্বে ভাঙচুরের অভিযোগ, আর তার পরদিনই উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়া। বিডিও অফিসে জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ। পুড়ে ছাই নথি! এবার এই গোটা পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবার রাজ্যপাল-নির্বাচন কমিশনারকে পথে নেমে দেখার আহ্বান জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য,  দিল্লি বা রাজভবনে বসে রিপোর্ট পড়ে বাংলার বাস্তব পরিস্থিতি বোঝা সম্ভব নয়।

রাজ্যপালের বিরুদ্ধেও মুখ খোলেন তিনি। বলেন, “রাজ্যপাল শুধু রাজভবনে বসে থাকলে হবে না। একটু রাস্তায় বেরিয়ে দেখুন রাজভবন থেকে বেরিয়ে আসুন। রাজ্যের পরিস্থিতি একটু দেখুন।তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যান আমরা চাই।”

শমীকের বক্তব্য, “সাংবিধানিক সঙ্কট যদি মনে করে কমিশন, তাহলে দায়িত্ব নিতে হবে রাজ্যপালকে। দায়িত্ব নিতে হবে রাষ্ট্রপতিকে।” কেবল রাজ্যপালকে নয়,  বিএলও-দের বিক্ষোভ, আন্দোলন ও তার পরিস্থিতি মোকাবিলায় নির্বাচন কমিশনের কোর্টেই বল ঠেলেছেন তিনি। শমীক বক্তব্য “আমাদের একমাত্র লক্ষ হল ভোটার তালিকার শুদ্ধিকরণে কমিশনকে সহযোগিতা করা, বিএল‌এ-২ রা আক্রান্ত হলে সেটা আমরা রাজনৈতিক ভাবে মোকাবিলা করব, কিন্তু বিএল‌ও-রা যদি আক্রান্ত হন,পদত্যাগ করেন, তাহলে ইলেকশন কমিশন কী করছে!”  তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “যদি ইলেকশন কমিশন অপারগ হয়, যদি সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হয়, তাহলে তার দায় রাজ্যপালকে নিতে হবে, রাষ্ট্রপতিকে নিতে হবে।”

প্রসঙ্গত, এর আগেও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন শমীক। ফলতায় যখন মৃতদের নাম তালিকায় রাখার জন্য তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছিল, তখনও জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকায় কথা বলেছিলেন তিনি। সাংবাদিক বৈঠকে সাফ বলেছিলেন, ঠান্ডা ঘরে বসে থাকলে চলবে না, একেবারে “দিল্লিতে বসে থাকলে হবে না। বাংলায় আসুন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। মানুষ কী বলছে, কী চাইছে – তা নিজের চোখে দেখুন।”