
কলকাতা: অনেক বছর আগেই মেদ ঝরিয়ে তিনি ছিপছিপে হয়েছে। ব্ল্যাক শার্টে তিনি যখন গাড়ির ওপর দাঁড়িয়ে র্যালি করেন, তখন কার্যতই তাঁকেই সিনেমার হিরোর মতোই লাগে। একথা অবশ্য যুযুধান প্রতিপক্ষ বিজেপিরই নেতাদের কথায়! কটাক্ষের সুরে বিঁধতে গিয়েই রাজনীতিক অভিষেকের পর ‘হিরো’ শব্দ ব্যবহার করেন। কিন্তু তাঁর দৈহিক বাচন, কথা বলার ভঙ্গি ইতিমধ্যেই যুবসমাজের একাংশের মধ্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। সম্প্রতি অভিষেক নিজের সামাজিক মাধ্যমে কয়েকটি ‘জিম লুক’ পোস্ট করেছিলেন। একঝলকে সত্যিই তাঁকে চেনা দায় হয়ে উঠেছিল। উল্কা গতিতে ছড়িয়ে পড়েছিল সেই পোস্ট। যুব সমাজের মধ্যে অভিষেকের এই ‘লুক’ ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। তাই যখন নিতান্তই একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অভিষেক, তখনও একেবারেই প্রেক্ষিতের বাইরে গিয়ে এই প্রশ্নেরও সম্মুখীন হতে হল অভিষেককে, তিনি কবে আবার তাঁর জিম লুক পোস্ট করবেন।
হ্যাঁ, কথা হচ্ছে, ‘আমি বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধা’ কনক্লেভের। এখন রাজ্য জুড়ে চষে বেড়াচ্ছেন অভিষেক। ১২ জানুয়ারি নিজের শহরে ছিলেন। ‘আমি বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধা’ কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই একাধিক রাজনৈতিক প্রশ্নই আসে তাঁর কাছে। কিন্তু তার মাঝেই একেবারে অন্য ধারার প্রশ্ন।
হাওড়ার বালি থেকে এক তরুণীর প্রশ্ন, “দাদা আপনি পরের জিম সেলফি কবে পোস্ট করবেন?” মঞ্চে সঙ্গে তখন তৃণমূল নেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য, দেবাংশু ভট্টাচার্য। প্রশ্ন শুনে উপস্থিত সকলেই তখন বেশ খানিকটা হালকা মেজাজে। অভিষেকও দিলেন উত্তর। এক মুহূর্ত না ভেবেই বললেন, “২৫০ করার পর। তৃণমূল জিতবে, ২৫০ হবে, তারপর হবে।” এদিন মিলনমেলার মঞ্চ থেকে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে ২৫০ আসনে জেতানোর টার্গেট বেঁধে দেন অভিষেক৷