১৩০০ কোটির ক্লাবে নাম লিখিয়ে কত কোটির মালিক ‘ধুরন্ধর’ পরিচালক আদিত্য ধর?
ছোঁয়া। মুম্বইয়ের বান্দ্রায় ইয়ামি গৌতমের সঙ্গে তাঁর যে আলিশান অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে, তার সাজসজ্জা হার মানাবে যে কোনও ফাইভ স্টার হোটেলকে। এছাড়া হিমাচলের পাহাড়ে রয়েছে একটি ফার্মহাউস, যেখানে নিভৃতে সময় কাটাতে ভালোবাসেন এই দম্পতি।

বলিউডে যখনই কেউ ছক ভাঙা ছবির কথা ভাবেন, তখনই মনে পড়ে পরিচালক আদিত্য ধরের নাম। আজ এই ‘ধুরন্ধর’ পরিচালকের জন্মদিন। ৪১ পূর্ণ করে ৪২-এ পা দিলেন তিনি। কিন্তু এই বিশেষ দিনটিতে শুধু কেক কাটাই নয়, আদিত্যর ঝুলিতে রয়েছে এক বিরাট সাফল্যের মুকুট। রণবীর সিংকে নিয়ে তাঁর তৈরি ‘ধুরন্ধর’ বক্স অফিসে ১৩০০ কোটির গণ্ডি পেরিয়ে ইতিহাস তৈরি করেছে। আর সেই রেশ কাটতে না কাটতেই জন্মদিনের পরই আসছে সিক্যুয়েল ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’।
জানেন এই পরিচালকের সম্পত্তির পরিমান কত?
আদিত্যর কেরিয়ার শুরু হয়েছিল গীতিকার এবং সংলাপ লেখক হিসেবে। কিন্তু ‘উরি’-র পর ‘ধুরন্ধর’-এর এই অবিশ্বাস্য সাফল্য তাঁর ব্র্যান্ড ভ্যালু এক ধাক্কায় শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। বর্তমানে আদিত্য ধরের মোট সম্পত্তির পরিমাণ আনুমানিক ৭০ থেকে ৮০ কোটি টাকার গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। শোনা যাচ্ছে, ‘ধুরন্ধর ২’-এর জন্য তিনি কেবল পরিচালক হিসেবেই নয়, লাভের অংশীদার হিসেবেও বড় অঙ্কের চুক্তি করেছেন। তাঁর নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা ‘বি৬২ স্টুডিওস’ এখন টিনসেল টাউনের অন্যতম লাভজনক হাউস।
সাফল্যের সঙ্গে সঙ্গে আদিত্যর জীবনযাত্রাতেও এসেছে রাজকীয় ছোঁয়া। মুম্বইয়ের বান্দ্রায় ইয়ামি গৌতমের সঙ্গে তাঁর যে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে, তার সাজসজ্জা হার মানাবে যে কোনও ফাইভ স্টার হোটেলকে। এছাড়া হিমাচলের পাহাড়ে রয়েছে একটি ফার্মহাউস, যেখানে নিভৃতে সময় কাটাতে ভালোবাসেন এই দম্পতি।
গাড়ির গ্যারেজেও ঢুকেছে নতুন চমক। মার্সিডিজ বেঞ্জ এবং অডির পাশাপাশি এখন তাঁর সংগ্রহে রয়েছে বিএমডব্লিউ-র লেটেস্ট মডেল।
১৯ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে তাঁর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ যা নিয়ে এখন থেকেই ভক্তদের মধ্যে টানটান উত্তেজনা। শোনা যাচ্ছে, এই পার্টে রণবীর সিংয়ের সঙ্গে টক্কর দিতে দেখা যাবে আরও এক বড় তারকাকে। আদিত্য জানেন, দর্শকের প্রত্যাশা এখন অনেক বেশি। তাই জন্মদিনের আনন্দর সঙ্গে তিনি এখন ব্যস্ত ‘ধুরন্ধর ২’-এর পোস্ট-প্রোডাকশন নিয়ে।
মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসে আজ বলিউডের রাজসিংহাসনে বসা—আদিত্য ধরের এই সফর এককথায় রূপকথার মতো। তবে তিনি মনে করেন, তাঁর আসল সম্পত্তি তাঁর ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স নয়, বরং দর্শকদের ভালোবাসা। আগামী দিনে তাঁর এই জয়যাত্রা যে আরও দীর্ঘ হবে, তা বলাই বাহুল্য।
