AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

কেন দেখা হলেও ঐশ্বর্য-রানি কথা বলেন না? শাহরুখ ও অভিষেকের কোন দোষ রয়েছে?

এরপর আগুনে ঘি ঢালে অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বর্য রাইয়ের বিয়ের ঘটনা। দীর্ঘদিন ধরে একাধিক হিট সিনেমায় একসাথে কাজ করার কারণে অভিষেক ও রানীর প্রেমের গুঞ্জন একসময় বি-টাউনে বেশ তুঙ্গে ছিল। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে অভিষেক-ঐশ্বর্যের বিয়েতে আমন্ত্রিতদের তালিকায় ঠাঁয় পাননি রানি।

কেন দেখা হলেও ঐশ্বর্য-রানি কথা বলেন না? শাহরুখ ও অভিষেকের কোন দোষ রয়েছে?
| Updated on: Aug 20, 2026 | 6:22 PM
Share

একসময়ে বলিপাড়ার অন্যতম প্রিয় দুই বান্ধবী ছিলেন ঐশ্বর্য রাই ও রানি মুখোপাধ্যায়। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে একে অপরের প্রতি ভালোলাগা ও স্নেহের কথা খোলামেলাভাবেই প্রকাশ করতেন তাঁরা। কিন্তু একটি সিনেমার হাতবদল এবং পরবর্তী কিছু ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এক লহমায় বদলে দেয় দুই তারকার সম্পর্কের রসায়ন।

সম্পর্কের প্রথম বড় টানাপোড়েন শুরু হয় ‘চলতে চলতে’ সিনেমাটিকে কেন্দ্র করে। ছবি থেকে আচমকা বাদ পড়েন ঐশ্বর্য রাই, আর তাঁর জায়গায় শাহরুখ খান মুখ্য চরিত্রে বেছে নেন রানি মুখোপাধ্যায়কে। ঘনিষ্ঠ বান্ধবী হয়েও রানি সেই প্রস্তাবে সায় দেওয়ায় মানসিকভাবে বেশ আঘাত পেয়েছিলেন ঐশ্বর্য।

এরপর আগুনে ঘি ঢালে অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বর্য রাইয়ের বিয়ের ঘটনা। দীর্ঘদিন ধরে একাধিক হিট সিনেমায় একসাথে কাজ করার কারণে অভিষেক ও রানির প্রেমের গুঞ্জন একসময় বি-টাউনে বেশ তুঙ্গে ছিল। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে অভিষেক-ঐশ্বর্যের বিয়েতে আমন্ত্রিতদের তালিকায় ঠাঁয় পাননি রানি। যদিও প্রকাশ্যে এই তিক্ততা নিয়ে কোনোদিন মুখ খোলেননি ঐশ্বর্য।

করণ জোহরের জনপ্রিয় চ্যাট শো ‘কফি উইথ করণ’-এ কারিনা কাপুরের সঙ্গে হাজির হয়ে এই দূরত্ব নিয়ে প্রথমবার নীরবতা ভাঙেন রানি। জল্পনা উসকে রসিকতার ছলে তিনি বলেন, “কারণটা তো তুমি জানোই।” তবে পরবর্তীতে তিনি যোগ করেন, “আমার কারও ওপর কোনও রাগ নেই। ঐশ্বর্যের প্রতি আমার কোনও ব্যক্তিগত বিদ্বেষ নেই। তবে হয়তো ওর দিক থেকে কিছু সমস্যা তৈরি হয়েছে, কারণ ও ফোনে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছে। আমাদের মাঝে আর সামাজিক কোনও দেখা সাক্ষাৎ হয়নি, তবে দেখা হলে সম্পর্কটা বেশ সৌজন্যমূলকই থাকবে।”

অভিষেকের বিয়েতে নিমন্ত্রণ না পাওয়া নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে ক্ষোভ প্রকাশ করে রানি বলেছিলেন, “এই বিষয়ে একমাত্র অভিষেকই আলো ফেলতে পারবে। সত্যটা হল, কেউ যদি তাঁর বিয়েতে আপনাকে না ডাকে, তবে বুঝতে হবে সেই মানুষের জীবনে আপনার স্থান ঠিক কোথায়। আপনি হয়তো ভাবতেই পারেন যে আপনারা বন্ধু, কিন্তু বাস্তবে সেই বন্ধুত্ব হয়তো শুধুই শুটিং সেটের সহ-অভিনেতা হওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।”

তিনি আরও যোগ করেছিলেন, “যাই হোক, এতে এখন আর কিছু যায় আসে না। বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে যে আমরা কেবল সহ-শিল্পী ছিলাম, বন্ধু নয়। আর কাকে বিয়েতে ডাকা হবে সেটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পছন্দ। ভবিষ্যতে আমি যখন বিয়ে করব, তখন আমিও হাতে গোনা কয়েকজনকেই আমন্ত্রণ জানাব।” পরবর্তীতে আদিত্য চোপড়ার সঙ্গে ইতালিতে অতি গোপনে আয়োজিত বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে নিজের সেই কথার প্রমাণও দিয়েছিলেন রানি।

তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফিকে হয়েছে পুরনো অভিমানের মেঘ। বর্তমানে দুই অভিনেত্রীর মধ্যে একটি সুস্থ সৌজন্যমূলক সম্পর্ক বজায় রয়েছে। ২০১৭ সালে ঐশ্বর্যের পিতা কৃষ্ণরাজ রাইয়ের প্রয়াণের পর কঠিন সময়ে তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন রানি। ভক্তদের আশা ছিল হয়তো আগের মতোই জোড়া লাগবে তাঁদের বন্ধুত্বের বন্ধন, তবে বর্তমানে জনসমক্ষে নিজেদের ব্যক্তিগত সমীকরণ নিয়ে খুব একটা কথা বলতে দেখা যায় না এই দুই বলিউড সুন্দরীকে।

Follow Us