Annapurna Yojana: ‘Under Process’ থেকে সোজা আবার ‘Enquiry’-তে! প্ল্যান করেই অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে মহিলাদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে?
Malda Annapurna Yojana Applicant: অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদনকারী মহিলাদের আরও অভিযোগ, তাদের এনকোয়ারি করে এসে মিথ্যা রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। যাঁদের বাড়ি নেই, তাঁদের তিনটে-চারটে করে বাড়ি দেখানো হয়েছে। তাই অনেকেই বাদ পড়ছেন এই সরকারি আর্থিক প্রকল্প থেকে।

মালদহ: অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Yojana) নিয়ে খুশি যেমন অনেকে, তেমনই অনেক মহিলার মনে ক্ষোভও জন্মাচ্ছে। অন্নপূর্ণা যোজনার তিন হাজার টাকা অ্যাকাউন্টে না আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। এর মধ্যেই এক দাবিতে হইচই পড়েছে। মহিলাদের পরিকল্পনা করেই অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে?
এই চাঞ্চল্যকর দাবি এসেছে মালদহ থেকে। পরিকল্পনা করেই অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে মহিলাদের- এই অভিযোগে প্রশাসনের কিছু আধিকারিক, পুরসভার কর্মী সহ কিছু তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে এফআইআর করার দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দ্বারস্থ হচ্ছে মালদহ জেলা বিজেপি। অন্নপূর্ণা যোজনায় মহিলাদের নাম বাদ পড়া নিয়ে বিজেপির তরফে রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে।
অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পাওয়ায় জেলায় জেলায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন মহিলাদের। মালদহ-ও তার ব্যতিক্রম নয়। অভিযোগ, তাঁরা প্রত্যেকেই প্রায় বিজেপির কর্মী সমর্থক বা ভোটার। এতদিন লক্ষীর ভাণ্ডার পেতেন, বিজেপিকে ভোট দিয়ে সরকারে এনেছেন, অথচ তাঁদেরকেই বঞ্চিত করা হয়েছে।
মহিলাদের দাবি, অনেকেরই আবেদন আন্ডার প্রসেস দেখাচ্ছিল, এখন আবার সেটা আন্ডার এনকোয়ারি দেখাচ্ছে। সঠিকভাবে এনকোয়ারি-ও করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ।
অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদনকারী মহিলাদের আরও অভিযোগ, তাদের এনকোয়ারি করে এসে মিথ্যা রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। যাঁদের বাড়ি নেই, তাঁদের তিনটে-চারটে করে বাড়ি দেখানো হয়েছে। তাই অনেকেই বাদ পড়ছেন এই সরকারি আর্থিক প্রকল্প থেকে।
যদিও এই দায়িত্বে থাকা ইংরেজবাজার পুরসভার কর্মী আনোয়ার সামিম যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী জানিয়েছেন, যা গাইডলাইন রয়েছে, তা মেনেই করা হচ্ছে। হয়তো যারা ফর্ম ফিল-আপ করছেন, তারা ভুল-ত্রুটি করছেন। কর্মীরা ফিল্ডে গিয়েই এনকোয়ারি করছে।
এদিকে, বিজেপির জেলা সভাপতি অজয় গাঙ্গুলির অভিযোগ, এটা ইচ্ছা করে ষড়যন্ত্র করেই করা হচ্ছে। বিজেপি কর্মী সমর্থক ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করা হচ্ছে। পরিকল্পনা করেই নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গতকাল অর্জুন সিং বলেন, “নিচুতলার যাঁরা অফিসার রয়েছেন বিডিও এরা জেনে-শুনে বদমাসি করছি। যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনা পাওয়ার যোগ্য, তাঁদেরও হেনস্থা করছে। আমরা এই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপকভাবে নজরদারি করছি। বারেবারে বলেছি এই ধরনের অন্যায় করা যাবে না। মুখ্যমন্ত্রী যে কাজ করতে বলছেন সেইটাই করতে হবে।”
