বিজয়ের মা না জয়া বচ্চন! বিয়ের আগে রশ্মিকাকে ২টি শর্ত শাশুড়ির

বিয়ের আগে রশ্মিকা-বিজয়ের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা কম হয়নি। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহলে বহুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, প্রায় পাঁচ বছর একসঙ্গে রয়েছেন তাঁরা। যদিও প্রকাশ্যে সে কথা নিয়ে খুব বেশি কিছু বলেননি কেউই, তবে একসঙ্গে ছুটি কাটানো থেকে পারিবারিক অনুষ্ঠানে হাজিরা—সবই ইঙ্গিত দিয়েছে সম্পর্কের গভীরতার দিকে।

বিজয়ের মা না জয়া বচ্চন! বিয়ের আগে রশ্মিকাকে ২টি শর্ত শাশুড়ির

Feb 24, 2026 | 2:39 PM

উদয়পুরে পৌঁছে গিয়েছেন তাঁরা। পাহাড়ঘেরা বিলাসবহুল রিসর্টে শুরু হয়ে গিয়েছে প্রাক্-বিবাহের আচার। সমাজমাধ্যমে কখনও পুলের ধারে সাজানো গ্লাসের ছবি, কখনও নৈশভোজের আলো-আঁধারি—সব কিছুই জানান দিচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত বিয়ের আর বেশি দেরি নেই। দক্ষিণের জনপ্রিয় জুটি রশ্মিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা অবশেষে সম্পর্কে সিলমোহর দিতে চলেছেন। তবে বিয়ের আগে রশ্মিকাকে নিয়ে বিজয়কে দুটি শর্ত দিয়েছেন অভিনেতার মা। কী বলেছেন তিনি? এর আগে জয়া বচ্চনের ঐশ্বর্যকে দেওয়া শর্ত নিয়ে বেশ জলঘোলা হয়েছিল। বলিসূত্রে খবর,’ধুম ২’-এ হৃত্বিক রোশনের সঙ্গে চুম্বন দৃশ্যে ঐশ্বর্যকে দেখার পর থেকেই তাঁর প্রতি বিরক্তি সৃষ্টি জয়ার। কড়া ভাষায় নাকি তিনি ঐশ্বর্যকে জানিয়ে দিয়েছিলেন বচ্চন বাড়ির বউমা হলে এই ধরনের দৃশ্যে অভিনয় করা যাবে না। তা নিয়ে নাকি বচ্চন পরিবারের অন্দরে তৈরি হয়েছিল বিস্তর অশান্তির।

বিয়ের আগে রশ্মিকা-বিজয়ের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা কম হয়নি। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহলে বহুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, প্রায় পাঁচ বছর একসঙ্গে রয়েছেন তাঁরা। যদিও প্রকাশ্যে সে কথা নিয়ে খুব বেশি কিছু বলেননি কেউই, তবে একসঙ্গে ছুটি কাটানো থেকে পারিবারিক অনুষ্ঠানে হাজিরা, সবই ইঙ্গিত দিয়েছে সম্পর্কের গভীরতার দিকে।

প্রশ্ন উঠেছে, পরিবারের মত কী ছিল? বিশেষ করে বিজয়ের মা কী চেয়েছিলেন পুত্রবধূর মধ্যে? আসলে সম্প্রতি ২০১৮ সালের একটি ভিডিয়ো আবার ভাইরাল হয়েছে। সেই সময় সদ্য মুক্তি পেয়েছিল তারকা জুটির ‘গীতা গোবিন্দাম ছবিটি। বক্স অফিসে ঝড় তোলা সেই ছবির সাফল্যের সময় এক সাক্ষাৎকারে বিজয়ের মা মাধবী দেবরকোন্ডাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, কেমন বউমা চান তিনি। তাঁর উত্তর ছিল সংক্ষিপ্ত, কিন্তু স্পষ্ট। দুটি শর্ত দিয়েছিলেন তিনি।

প্রথম শর্ত- যেই আসুন, তিনি যেন তাঁর ছেলেকে ভালবাসায় আগলে রাখেন, সব সময় পাশে থাকেন। আলো-ঝলমলে ইন্ডাস্ট্রির জীবনে টানাপড়েন কম নয়, তাই পাশে থাকা মানুষটির বোঝাপড়া জরুরি বলে মনে করেন তিনি। দ্বিতীয় শর্ত- পাত্রী যদি দক্ষিণ ভারতীয় হন, তা হলে তাঁর আরও ভাল লাগবে। তবে এটুকুই তাঁর চাহিদা।

বিজয়ের বাবা গোবর্ধনও তখন জানিয়েছিলেন, ছেলের পছন্দই শেষ কথা। জাত-ধর্ম নিয়ে তাঁদের কোনও আপত্তি নেই। তাঁদের পরিবার চায় শুধু শান্তিপূর্ণ সংসার।
খবর, উদয়পুরের আরাবল্লি পাহাড়ের কোলে অবস্থিত বিলাসবহুল রিসোর্টে-এ দক্ষিণ ভারতীয় রীতিতেই হবে বিয়ের বেশির ভাগ আচার। অতিথিদের নারকেলের জল দিয়ে অভ্যর্থনা করা হবে, কলাপাতায় পরিবেশন করা হবে খাবার- বিয়ের দিন মেনুতেও নাকি দক্ষিণের ছাপ থাকবে।