AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bhooth Bangla: বক্স অফিসে ২০০ কোটির ক্লাবে ‘ভূত বাংলা’, অথচ কর্মীদের পকেটে টান! বিতর্কে প্রযোজনা সংস্থা

Akshay Kumar Bhooth Bangla, Ekta Kapoor Balaji Motion Pictures: ফিল্মি দুনিয়ার এই অলিখিত নিয়ম নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কর্মীরা। তাঁদের মতে, একবার ছবি মুক্তি পেয়ে গেলে পাওনা টাকা আদায় করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে। ভেন্ডারদের অভিযোগের মূল তিরগুলি হল, আগে ৯০ দিনের মধ্যে ইনভয়েস মেটানোর রীতি থাকলেও এখন তা মানা হচ্ছে না।

Bhooth Bangla: বক্স অফিসে ২০০ কোটির ক্লাবে ‘ভূত বাংলা’, অথচ কর্মীদের পকেটে টান! বিতর্কে প্রযোজনা সংস্থা
| Updated on: May 08, 2026 | 4:56 PM
Share

টানা ব্যর্থতার খরা কাটিয়ে অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলেন অক্ষয় কুমার। প্রিয়দর্শনের হাত ধরে হরর-কমেডি ‘ভূত বাংলা’ বক্স অফিসে রীতিমতো রাজত্ব করছে। বিশ্বজুড়ে ইতিমধ্যেই ২১১ কোটির ব্যবসা করে ফেলেছে এই ছবি। কিন্তু সাফল্যের এই আবহেই বেসুরো সুর বাজল নেপথ্যে। অভিযোগ উঠেছে, ছবির আয় বাড়লেও ভেন্ডারদের পাওনা টাকা মেটাতে টালবাহানা করছে একতা কাপুরের প্রযোজনা সংস্থা ‘বালাজি মোশন পিকচার্স’।

গত বুধবারই সমাজমাধ্যমে ছবির সাফল্য নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন একতা কাপুর। পরিচালক প্রিয়দর্শন এবং অক্ষয় কুমারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন তিনি। কিন্তু মুদ্রার উল্টো পিঠ বলছে অন্য কথা। জাতীয় স্তরের এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ছবির সঙ্গে যুক্ত একাধিক ভেন্ডর দাবি করেছেন যে তাঁদের প্রাপ্য অর্থ এখনও মেটানো হয়নি। এক ভেন্ডরের অভিযোগ, তাঁর প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা বকেয়া রয়েছে। অন্য একজনের দাবি, বকেয়ার অঙ্ক ১৮ লক্ষ টাকা।

ফিল্মি দুনিয়ার এই অলিখিত নিয়ম নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কর্মীরা। তাঁদের মতে, একবার ছবি মুক্তি পেয়ে গেলে পাওনা টাকা আদায় করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে। ভেন্ডারদের অভিযোগের মূল তিরগুলি হল, আগে ৯০ দিনের মধ্যে ইনভয়েস মেটানোর রীতি থাকলেও এখন তা মানা হচ্ছে না। সুপারস্টার থেকে শুরু করে কারিগরি টিমের প্রথম সারির লোকেদের টাকা মিটিয়ে দেওয়া হলেও, সাধারণ ভেন্ডারদের মাসের পর মাস অপেক্ষায় রাখা হয়।

অবশ্য এই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বালাজি মোশন পিকচার্স। সংস্থার পক্ষ থেকে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, তারা সমস্ত চুক্তিভিত্তিক আর্থিক দায়বদ্ধতা সময়মতো পূরণ করেছে।

তবে বিড়ম্বনা এখানেই শেষ নয়। সম্প্রতি ‘তু ইয়া ম্যায়’ ছবিকে কেন্দ্র করেও একই রকম আর্থিক বিতর্কের কথা সামনে এসেছে। সেখানেও ক্যামেরা অপারেটর নিখিল পাই সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি অভিযোগ করেছেন পাওনা টাকা না পাওয়া নিয়ে। সব মিলিয়ে, বলিউড ছবির ঝলমলে পর্দার আড়ালে আর্থিক অনিয়মের এই অভিযোগগুলো নতুন করে বিতর্ক উসকে দিচ্ছে।

Follow Us