Sanjay Dutt: বিষ্ণোইদের টার্গেট সঞ্জয় দত্ত! সলমনকে ভয় দেখাতে তাঁর কাছের মানুষদের নিশানা করছে গ্যাংস্টার দল?
Bishnoi gang recce at Sanjay Dutt Pali Hill residence: সলমনের ওপর সরাসরি আঘাত হানা কঠিন বুঝে বলিউডের অন্যান্য তারকাদের ওপর নজরদারি চালানোর ছক কষেছিল শুটাররা। এই তালিকায় শুধু টাইগার শ্রফই নন, ছিলেন সলমনের অন্যতম ঘনিষ্ঠ বন্ধু সঞ্জয় দত্ত, এমনকী, আমির খান ও ইমরান হাশমিও! মুম্বই পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকদের জেরায় সম্প্রতি উঠে এসেছে এমন একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

মুম্বইয়ের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে সলমন খানের নিরাপত্তা এতটাই আঁটসাঁটো যে, সেখানে কোনও রকম নাশকতামূলক ছক কষা প্রায় অসম্ভব। আর সেই কড়া সুরক্ষার বহর দেখেই নিজেদের নিশানা কিছুটা বদলাতে বাধ্য হয়েছিল লরেন্স বিশ্নোইয়ের দল। সলমনের ওপর সরাসরি আঘাত হানা কঠিন বুঝে বলিউডের অন্যান্য তারকাদের ওপর নজরদারি চালানোর ছক কষেছিল শুটাররা। এই তালিকায় শুধু টাইগার শ্রফই নন, ছিলেন সলমনের অন্যতম ঘনিষ্ঠ বন্ধু সঞ্জয় দত্ত, এমনকী, আমির খান ও ইমরান হাশমিও! মুম্বই পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকদের জেরায় সম্প্রতি উঠে এসেছে এমন একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য।
তদন্তকারীদের দাবি, গত সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে হরিয়ানার সোনিপথ থেকে মুম্বইয়ে এসে পৌঁছয় রেহান এবং ফুল সিংহ নামে দুই সন্দেহভাজন শুটার। তাদের সঙ্গে মধ্যপ্রদেশ থেকে আনা বেআইনি দেশি আগ্নেয়াস্ত্রও ছিল। তবে শহরে এসে রেইকি করার সময় আগ্নেয়াস্ত্রটি তারা হোটেলের ঘরেই রেখে বেরাত।
অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে সলমন খানের বান্দ্রার বাসভবনের চারপাশে ঘুরে রেইকি চালায় এই দুজন। কিন্তু সেখানে ২৪ ঘণ্টা মোতায়েন থাকা মুম্বই পুলিশের কড়া নিরাপত্তা ও সিসিটিভি-র নজরদারি দেখে তারা বুঝতে পারে, এই মুহূর্তে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের কাছে ঘেঁষা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এর পরই গ্যাংয়ের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড অনিল পণ্ডিতের সঙ্গে যোগাযোগ করে তারা। অভিযোগ, অনিলের নির্দেশেই সলমনকে ছেড়ে বলিউডের বাকি হাই-প্রোফাইল অভিনেতাদের বাসভবনে রেইকি চালানো এবং ভিডিও রেকর্ড করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
মুম্বই পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সলমনের বাড়ির সামনে থেকেই ৪০০ টাকার চুক্তিতে একটি অটো ভাড়া করে ওই দুই শুটার। সেই অটোতে করেই তারা মুম্বইয়ের বিভিন্ন তারকাদের আস্তানায় ঘুরে বেড়ায়।
প্রথমে তারা যায় অভিনেতা আমির খানের বাড়ির সামনে। এরপর তারা পৌঁছয় ইমরান হাশমির বাসভবনের কাছে। শেষ পর্যন্ত তারা হানা দেয় পালি হিলে অবস্থিত সঞ্জয় দত্তের বহুতলে।
পালি হিলে পৌঁছেই শুটারদের মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় সঞ্জয় দত্তের দৈনিক মুভমেন্টের খবর জোগাড় করা। সঞ্জয় আদৌ বাড়িতে আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে তারা আশেপাশের স্থানীয় লোকজন ও নিরাপত্তাকর্মীদের কাছেও ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
