Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে মিঠুন, প্রসেনজিৎ, দেব, জিৎ, আবির, যিশু! দলবেঁধে কী করতে চলেছেন তাঁরা?
Suvendu Adhikari special committee: গোটা আয়োজনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বা চিফ হিসেবে থাকছেন রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গেই সহ-পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। কমিটির সভাপতির গুরুদায়িত্ব সামলাবেন প্রখ্যাত পরিচালক সন্দীপ রায়, আর কার্যকরী সভাপতি হিসেবে থাকছেন ‘ইন্ডাস্ট্রি’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সদস্য সচিবের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের সচিব ড. সৌমিত্র মোহন।

মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ ঘিরে এক অভূতপূর্ব মেলবন্ধনের সাক্ষী হতে চলেছে বাংলা। ভারতীয় চলচ্চিত্রে তাঁর চিরন্তন অবদানকে কুর্নিশ জানাতে বছরব্যাপী এক মহোৎসবের পরিকল্পনা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আর এই বিশাল কর্মযজ্ঞকে সফল রূপ দিতেই এক ছাদের তলায় আসছেন টলিউড ও প্রশাসনিক জগতের মহারথীরা।
রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের উদ্যোগে সদ্যই একটি উচ্চপর্যায়ের ‘উপদেষ্টা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় চমক রয়েছে এই কমিটির শীর্ষ নেতৃত্বেই। গোটা আয়োজনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বা চিফ হিসেবে থাকছেন রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গেই সহ-পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। কমিটির সভাপতির গুরুদায়িত্ব সামলাবেন প্রখ্যাত পরিচালক সন্দীপ রায়, আর কার্যকরী সভাপতি হিসেবে থাকছেন ‘ইন্ডাস্ট্রি’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সদস্য সচিবের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের সচিব ড. সৌমিত্র মোহন।
এখানেই শেষ নয়, মহানায়কের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের এই মেগা-প্রজেক্টে শামিল হয়েছেন টলিউডের প্রথম সারির প্রায় সব তারকাই। দেব, জিৎ, আবীর চট্টোপাধ্যায় এবং যীশু সেনগুপ্তের মতো সুপারস্টাররা তো বটেই; ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, গৌরব চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু করে সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো হেভিওয়েট পরিচালক এবং শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌমিক হালদার, জয়ন্ত কুণ্ডু ও প্রেমেন্দু বিকাশ চাকীর মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরাও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন।
এই তারকাখচিত কমিটির মূল লক্ষ্য হলো মহানায়কের জীবন ও কর্মকে উদযাপনের জন্য সঠিক রূপরেখা তৈরি করা। সারা বছর ধরে রাজ্যজুড়ে কী ধরনের সাংস্কৃতিক ও স্মারক অনুষ্ঠান হবে, তা নির্ধারণ করা থেকে শুরু করে আর্কাইভ ও সাহিত্য সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারকে সুপরামর্শ দেবেন তাঁরা। রাজ্যের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সংগঠনকে এই মহোৎসবে যুক্ত করা এবং গোটা পরিকল্পনাটি যাতে নিখুঁতভাবে বাস্তবায়িত হয়, তার সম্পূর্ণ তদারকি করবে এই বিশেষ প্যানেল।
তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ এই কমিটির সচিবালয় হিসেবে কাজ করবে। প্রধান পৃষ্ঠপোষক বা সভাপতির সবুজ সংকেত পেলেই সদস্য সচিব সভার ডাক দেবেন। সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, বাঙালির চিরস্থায়ী আবেগকে স্মরণ করার এই বর্ণাঢ্য প্রস্তুতি এখন থেকেই পুরোদমে শুরু হয়ে গেল।
