‘সলমন তো আসলে…’, ভাইজানের কোন স্বভাব ফাঁস করলেন ডেভিড ধাওয়ান?
আর সেই সাফল্যের নেপথ্যে অন্যতম কারিগর হলেন ‘কমেডি কিং’ ডেভিড ধাওয়ান। সলমনের কেরিয়ারের অন্যতম সেরা ছবিগুলো এসেছে তাঁরই হাত ধরে। তবে ডেভিডের মতে, তাঁদের এই সম্পর্কের রসায়ন কেবল শুটিং সেটেই সীমাবদ্ধ নয়, তা ছড়িয়ে রয়েছে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনেও।

নব্বইয়ের দশক থেকে শুরু করে বর্তমান সময় সলমন খান মানেই বক্স অফিসে ঝোড়ো হাওয়া। আর সেই সাফল্যের নেপথ্যে অন্যতম কারিগর হলেন ‘কমেডি কিং’ ডেভিড ধাওয়ান। সলমনের কেরিয়ারের অন্যতম সেরা ছবিগুলো এসেছে তাঁরই হাত ধরে। তবে ডেভিডের মতে, তাঁদের এই সম্পর্কের রসায়ন কেবল শুটিং সেটেই সীমাবদ্ধ নয়, তা ছড়িয়ে রয়েছে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনেও।
সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডেভিড ধাওয়ান বলেন, “আমাদের সফরটা অনেক দিনের। আমরা একসঙ্গে আট-ন’টি সিনেমা করেছি। সলমন এমন একজন মানুষ, যে যেকোনও প্রয়োজনে পাশে এসে দাঁড়ায়। শুধু আমার জন্য নয়, আমাদের গোটা পরিবারের কাছে ও আশীর্বাদের মতো। আমরা শুটিংয়ের খাতিরে বিশ্বের আনাচে-কানাচে ঘুরেছি, দিনের পর দিন একসঙ্গে সময় কাটিয়েছি। সেই থেকেই আমাদের মধ্যে এই অদ্ভুত সুন্দর সম্পর্কটা গড়ে উঠেছে।”
সলমনকে নিয়ে বলতে গিয়ে ডেভিড জানান, পর্দার ‘দাবাং’ ইমেজের আড়ালে লুকিয়ে আছে অত্যন্ত নরম মনের এক মানুষ। তাঁর কথায়, “শুটিং শেষ হওয়ার পরও সলমন সেই একই রকম সহজ-সরল। ও যেমন চমৎকার একজন মানুষ, তেমনই ভীষণ আবেগপ্রবণ। বিপদে-আপদে ও যেভাবে সমর্থন জোগায়, তা ভাবা যায় না। আমাদের মধ্যে এমন এক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে যা সত্যিই বিরল।”
‘জুড়ুয়া’, ‘বিবি নম্বর ১’ থেকে শুরু করে ‘পার্টনার’— সলমন ও ডেভিড ধাওয়ান জুটি বারবার প্রমাণ করেছে যে তাঁরা দর্শকদের নাড়ি বোঝেন। ডেভিড জানান, তাঁদের মধ্যে এতটাই বোঝাপড়া যে শুটিংয়ের সময় খুব একটা কথা বলার প্রয়োজন পড়ে না। দুজনের এই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসাই তাঁদের জুটিকে বলিউডের অন্যতম আইকনিক জুটিতে পরিণত করেছে।
ভাইজানের এই ‘মানবিক’ দিকটি সামনে আসতেই নতুন করে চর্চায় তাঁর ব্যক্তিত্ব। সলমন শুধু বক্স অফিসের রাজা নন, অনেকের কাছেই তিনি এক নির্ভরযোগ্য অভিভাবক এবং প্রকৃত বন্ধু— ডেভিড ধাওয়ানের কথায় যেন সেটাই আরও একবার স্পষ্ট হল।
