AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘বিয়ে করেছি ঠিকই, কিন্তু আমরা এখন সিচুয়েশনশিপে’, স্পষ্ট বলে দিলেন নায়ক, নায়িকা চুপ, বলিউডে ফের ডিভোর্স?

কিন্তু আমাদের সম্পর্কের সবচেয়ে বড় দিক হলো, আমি রকুলের সঙ্গে যেকোনো বিষয়ে কথা বলতে পারি। আমাদের মধ্যে কোনো লুকোছাপা নেই।" তিনি আরও যোগ করেন, "অনেকে সিচুয়েশনশিপ চান কারণ তাঁরা কোনো বাধ্যবাধকতা বা বিধিনিষেধ চান না। আমাদের বিয়েটাও অনেকটা তেমনই— যেখানে স্বাধীনতার কোনো অভাব নেই।"

'বিয়ে করেছি ঠিকই, কিন্তু আমরা এখন সিচুয়েশনশিপে', স্পষ্ট বলে দিলেন নায়ক, নায়িকা চুপ, বলিউডে ফের ডিভোর্স?
কোন সেলিব্রিটিদের ঘর ভাঙছে?
| Updated on: Apr 23, 2026 | 4:18 PM
Share

আধুনিক সম্পর্কের সমীকরণে ‘সিচুয়েশনশিপ’ শব্দটি এখন বেশ জনপ্রিয়। সাধারণত দায়বদ্ধতাহীন বা অসংজ্ঞায়িত সম্পর্ক বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। কিন্তু বিয়ের পিঁড়িতে বসার পরও কেন নিজের সম্পর্ককে এই তকমা দিলেন জ্যাকি? সম্প্রতি একটি ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই রহস্যের সমাধান করেছেন তিনি।

জ্যাকির মতে, বিয়ের পর অনেক দম্পতির মধ্যেই একে অপরের ওপর অধিকার খাটানো বা প্রত্যাশার চাপ তৈরি হয়। কিন্তু তিনি ও রকুল চান না তাঁদের সম্পর্ক কোনও ধরাবাঁধা নিয়মে আটকে থাকুক। জ্যাকি বলেন, “আমরা বিবাহিত এবং একে অপরের প্রতি সম্পূর্ণ দায়বদ্ধ । কিন্তু আমাদের সম্পর্কের সবচেয়ে বড় দিক হল, আমি রকুলের সঙ্গে যেকোনও বিষয়ে কথা বলতে পারি। আমাদের মধ্যে কোনও লুকোছাপা নেই।” তিনি আরও যোগ করেন, “অনেকে সিচুয়েশনশিপ চান কারণ তাঁরা কোনও বাধ্যবাধকতা বা বিধিনিষেধ চান না। আমাদের বিয়েটাও অনেকটা তেমনই— যেখানে স্বাধীনতার কোনও অভাব নেই।”

দাম্পত্যে স্বচ্ছতার উদাহরণ দিতে গিয়ে জ্যাকি এক বিস্ফোরক তথ্য শেয়ার করেন। তিনি জানান, রকুলের সামনেই তিনি তাঁর প্রাক্তন প্রেমিকার ফোন ধরেন এবং তাও আবার স্পিকার ফোনে! জ্যাকি বলেন, “রকুল আমার সম্পর্কে সবটা জানে। তাই আমার আলাদা করে কিছু লুকোনোর প্রয়োজন নেই। এতে সম্পর্কটা অনেক বেশি হালকা এবং দমবন্ধহীন মনে হয়।” রকুলও হেসেই সহমত পোষণ করে বলেন, “আসলে আমরা একে অপরের সবচেয়ে ভালো বন্ধু।”

রকুল প্রীত সিং মনে করেন, প্রথাগত বিয়ের ধারণায় মহিলারা সব সময় নিজেদের গুছিয়ে নেন স্বামীর রুটিন অনুযায়ী। কিন্তু তাঁদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আলাদা। রকুল বলেন, “আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে একে অপরের সমান। আমাদের মধ্যে কোনও একতরফা আত্মত্যাগ নেই। আমি চাইলে একা একা ছুটিতে ঘুরে আসতে পারি, এতে জ্যাকি অখুশি হয় না। আমরা একে অপরের জীবনে কোনও শূন্যস্থান পূরণ করতে আসিনি, বরং দুজনে একসঙ্গে অনেক বেশি সুখী।”

জ্যাকি ভাগনানির মতে, ‘বিপরীত মেরুর মানুষ একে অপরকে আকর্ষণ করে’— এই ফিল্মি ধারণা বাস্তব জীবনে দীর্ঘস্থায়ী হয় না। চিন্তাধারা, মূল্যবোধ এবং পছন্দ-অপছন্দ না মিললে সম্পর্কের ফাটল ধরা অনিবার্য। জ্যাকি ও রকুল দুজনেই মনে করেন, তাঁদের মানসিক মিলই তাঁদের এই ‘মডার্ন ম্যারেজ’ বা আধুনিক দাম্পত্যের মূল চাবিকাঠি। লকডাউনের সময় প্রতিবেশী হিসেবে শুরু হওয়া এই বন্ধুত্ব আজ এক পরিণত সম্পর্কে রূপ নিয়েছে, যেখানে প্রেম আছে, কিন্তু নেই কোনও অদৃশ্য শিকল।

Follow Us